সাম্প্রদায়িকতা : সাহিত্যে #২৯ – কায়কাউস

সাম্প্রদায়িকতা : সাহিত্যে #২৯
===============
“… বিরুদ্ধ চেষ্টা যাহাই হউক না কেন, বাঙ্গালাভাষা মুসলমান সমাজে আপন বলে পথ কাটিয়া অগ্রসর হইতেছে। মুসলমানেরা রীতিমত ভাবে বাঙ্গালা ভাষায় সাহিত্য-চর্চা আরম্ভ করিয়াছেন। কে কোথায় কি করিতেছেন বা বলিতেছেন তাহার অপেক্ষায় সাহিত্যসেবিগণ বসিয়া থাকিতেছেন না। বাঙ্গালা মুসলমানের মাতৃভাষা কি না, বা বাঙ্গালা ভাষায় মুসলমানদিগের সাহিত্য চর্চা করা উচিত কি না, ইহা আলোচনা করিবার সময় এখন আর নাই। এখন ইহাই ঠিক করিতে হইবে যে বাঙ্গালী মুসলমানের সাহিত্যের ভাষা কিরূপ আকারের হইবে বা তাহাদিগের সাহিত্য-চর্চা কোন পথে পরিচালিত করিলে জাতির পক্ষে সর্বাপেক্ষা মঙ্গলজনক হইবে।

আমাদের সাহিত্যের ভাষা সম্বন্ধে এই একটা কথা উঠিয়াছে যে, আমরা বড় বড় সংস্কৃত শব্দ ব্যবহার করিব না; কারণ তাহা বুঝিতে আমাদের কষ্ট হয়। পক্ষান্তরে আমরা গৃহে ও সমাজে, কথাবার্তা কাজকারবারে যে সমস্ত আরবী ও পার্শী শব্দ ব্যবহার করিয়া আসিতেছি, সেগুলি আমরা সাহিত্যে অবাধে চালাইতে চাই। কারন ঐ সমস্ত শব্দ আমাদের বালকেরা ও আমরা অতি সহজে বুঝিতে পারি।

এই প্রশ্নের মীমাংসা করা অত্যন্ত কঠিন। যুক্তিবলে যে ইহা কেহ সম্পন্ন করিতে পারিবেন তাহাও নিতান্ত সন্দেহের বিষয়। এই প্রশ্নের মীমাংসা অন্য একটি বৃহত্তর প্রশ্নের মীমাংসার উপর নির্ভর করিতেছে এবং তাহা লইয়া হিন্দু সাহিত্যিকমন্ডলে বহুদিন ধরিয়া তর্ক বিতর্ক চলিতেছে।

এই প্রশ্ন সাহিত্যে ব্যবহারের জন্য সাধুভাষা ও চলিত ভাষা লইয়া বিবাদ। একদল সাহিত্যিকের মতে সাহিত্যের ভাষা সংস্কৃত অনুয়ায়ী বিশুদ্ধ ও উন্নত রাখিতে হইবে, কথাবার্তায় ব্যবহৃত ও দেশ-প্রচলিত সামান্য গ্রাম্য শব্দ সাহিত্যে ব্যবহার করিতে দেওয়া হইবে না; যিনি ব্যবহার করিবেন তাহাকে শাসন করা যাইবে। কারণ চলিত ভাষা বঙ্গদেশে নানা প্রকারের; উহা চালাইলে বঙ্গভাষা নানা রূপ ধারণ করিবে এবং ভাষাও নিতান্ত হীন ও দুর্বল হইয়া উঠিবে। সাহিত্যের ভাষা আদর্শ সুন্দর, সতেজ শিক্ষণীয় রাখা আবশ্যক।

এই যুক্তি প্রবল হইলে আমাদের কিছু বলিবার নাই।

অন্য দল চলিত ভাষার পক্ষপাতী। রবীন্দ্রনাথ এই দলের গুরু। ইহারা বলেন চলিত কথা আমরা আমাদের সাহিত্যে বেশী করিয়া ব্যবহার করিব, কারণ তাহাই খাঁটি বাঙ্গালা এবং তাহাতেই ভাল করিয়া ভাব ফুটে, লোকেও সহজে বুঝিতে পারে। লোকে পড়িবে বলিয়াই ত লেখা। যেমন করিয়া বলিলে আমাদের মনের কথাটি বিনা চেষ্টায় প্রকাশ পায়, কলম আপনা আপনি চলে, শব্দের জন্য ভাবিতে হয় না, আমরা তেমন করিয়াই বলিব। শুধু তাহাই নয়, যে কথা আমরা যেমন করিয়া উচ্চারণ করি, সাহিত্যেও তেমন করিয়াই লিখিব। ফলে এই শ্রেণীর লেখকগণের দ্বারা বহু গ্রাম্য ইতরজনোচিত শব্দ সাহিত্যে ব্যবহৃত হইতেছে। বাঙ্গালা ভাষায় এমন কোন শব্দ নাই যাহা ইহারা ব্যবহার করেন না। ইহারা 'রন্ধন গৃহ' ত দূরের কথা 'পাকশালা' 'রান্নাঘর' পর্যন্ত ত্যাগ করিয়া 'হেঁসেলে' ঢুকিতে আরম্ভ করিয়াছেন। ইহাদের কাছে 'নবীন' ত একরকম তীরস্থ, 'নূতন' পর্যন্ত 'নতুন' হইয়া দেখা দিয়াছে। 'পুচ্ছ' উহ্য হইয়াছে, এবং 'লেজের' মধ্য দিয়া তাহার কেবল 'ল্যাজা'টুকু দেখা যাইতেছে। ওদিকে 'মুড়ো' মহাশয় 'প্রান্তের' উপর দৃঢ়ভাবে আসন গাড়িয়া বসিয়াছেন।

এখন মুসলমানেরা যদি ইহাদের দেখাদেখি আপনাদের নিত্য ব্যবহার্য শব্দগুলি সাহিত্যে ব্যবহার করিতে আরম্ভ করেন, তাহা হইলে এই শ্রেণীর লেখকদিগের তাহাতে বাধা দিবার অণুমাত্র উপায় ও অধিকার নাই। তাহারা যদি ব্যবহারের দোহাই দিয়া ঐ সমস্ত নিতান্ত জঘণ্য শব্দ সাহিত্যে চালাইতে পারেন তাহা হইলে আমরা 'জল' না লিখিয়া 'পানি' লিখিলে বা 'নিমন্ত্রণের' পরিবর্তে 'দাওয়াত' করিলে 'বে আক্কেলির দরুন' কোন কাজে 'লোকসান' হইলে 'অনুতাপ' না করিয়া যদি 'আবসোস' করি এবং কোন বিষয় হইতে ফল প্রাপ্তির আশা না করিয়া 'ফায়দা' উঠাইবার জন্য 'কোশেশ' করি, তাহা হইলে এই সমস্ত কথ্য ভাষা চালাইবার পক্ষপাতী হিন্দু লেখকগণের আপত্তি করিবার কি অধিকার আছে?

তাহারা যে একেবারে 'লাচার' হইয়া পড়িবেন তাহাতে সন্দেহ নাই; কারণ আমরা ত আমাদের ঘরে বাহিরে আচারে অনুষ্ঠানে মজলিশে ও দরবারে এই সমস্ত শব্দই দিনরাত ব্যবহার করিয়া থাকি।

কিন্তু সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার এই বিবাদের নিষ্পত্তি হয় নাই। সঙ্গে সঙ্গে ইহাও স্বীকার করিতে হইবে যে, “আমরা যাহা বলি তাহাই লিখিব” এই মতের পক্ষপাতী লেখকগণ এখনও হিন্দু সাহিত্যিকমন্ডলে একরূপ উপহাসের পাত্র হইয়া আছেন। একমাত্র রবীন্দ্রনাথ ব্যতীত বঙ্গভাষার সমুদয় শক্তিশালী সাহিত্যিকগণ বিশুদ্ধ রচনারীতিতে সাহিত্য-চর্চা করিয়া আসিতেছেন। 'প্রবাসী'র কোন কোন প্রবন্ধ ব্যতীত বঙ্গের অধিকাংশ মাসিক ও সমুদয় সাপ্তাহিক পত্র বিশুদ্ধ সাধুভাষায় লিখিত হয়। সুতরাং জোর করিয়া বা যুক্তি দ্বারা প্রচলিত ও অপ্রচলিত অজস্র আরবী পার্শী শব্দ সাহিত্যের ভাষায় ব্যবহার করিয়া বর্তমান বঙ্গভাষা হইতে পৃথক আর একটি নতুন বঙ্গভাষার সৃষ্টি করিতে যাওয়া সমীচীন কিনা তৎসম্বন্ধে গুরুতর সন্দেহ বিদ্যমান। এইরূপ চেষ্টায় যে বর্তমান সমৃদ্ধ বঙ্গসাহিত্যের আনন্দ ও সৌন্দর্য হইতে অনেকাংশে বঞ্চিত হইব তাহাই নহে, সে চেষ্টায় আমাদের বহুশক্তি ব্যয়িত হইয়া যাইবে। এবং আমরা আরম্ভেই পশ্চাতে পড়িয়া থাকিব। পরন্তু যুক্তির বলে ঐ সমস্ত শব্দ চালাইলেই যে সাহিত্যযোগ্য ভাষার সৃষ্টি হইবে এরূপ মনে করাও ভুল। তজ্জন্য ক্ষণ-জন্মা লেখকের উন্মাদিনী প্রতিভার সোনার কাঠির স্পর্শের অপেক্ষা করিতে হইবে। শব্দ লিখিলেই হইবে না; সুন্দর করিয়া লেখা চাই। সে শব্দ এরূপ বাক্যের মধ্যে ব্যবহার করিতে হইবে এবং তাহাতে এরূপ টান থাকা চাই যে শুনামাত্র ইন্দ্রজালের সৃষ্টি হয় এবং মোহমুগ্ধ মন অজ্ঞাতসারে সে শব্দকে নি:শেষে গ্রহণ করে, মন যেন অপরিচিত কোন কিছুর আভাস পাইয়া কিছুমাত্র সন্দিগ্ধ হইবার অবকাশ না পায়। আজ যে বঙ্গসাহিত্যে কয়েকখানি মাসিক পত্রে ও পুস্তকে দেশ-প্রচলিত খাঁটি বাঙ্গালা শব্দ অজস্র পরিমাণে ব্যবহার হইতেছে, রবীন্দ্রনাথের প্রতিভার ইন্দ্রজালই তাহার কারণ, তাহার প্রতিভার ইন্দ্রজাল না থাকিলে ঐ সমস্ত শব্দ ব্যবহার করিতে কখনই কেহ সাহস করিত না। তিনি যাহা লেখেন তাহাই মিষ্টি শুনায় – তজ্জন্যই দেশজ শব্দ সাহিত্যে চলিয়া যাইতেছে।

আমরা মুসলমান ঐক্যের উপাসক। সকল কাজেই ঐক্যসমন্বয়ের আমরা পক্ষপাতী। বিভিন্ন জেলার দেশ-প্রচলিত কথ্যশব্দ প্রচলনে বঙ্গভাষা ও সাহিত্য নানামূর্তি গ্রহণ করুক ইহা কখনই বাঞ্ছনীয় হইতে পারে না। বঙ্গভাষা একে নিতান্ত কোমল প্রকৃতির; তাহার উপর নিতান্ত মৃদু খাঁটি বাঙ্গালা শব্দের একাধিপত্য ঘটিলে বঙ্গভাষা একরূপ অবলার ভাষা হইয়া পড়িবে। মুসলমানের নিকট এরূপ নীতি মঙ্গলজনক বলিয়া বিবেচিত হইতে পারে না।

তবে এক বিষয়ে আমাদের ধারণা অত্যন্ত পরিষ্কার। ভাষাকে মুসলমানী করিবার চেষ্টায় শক্তিক্ষয় না করিয়া বঙ্গভাষার ভাবের ঘরে মুসলমানীর প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা লক্ষ গুণে প্রয়োজন। প্রকৃতপক্ষে ইহাই আসল কথা। বাঙ্গালা ভাষার যে সমস্ত শব্দ আমাদের ধর্মমতে বিরুদ্ধ ভাবসম্পন্ন তাহা আমরা কখনও ব্যবহার করিব না; পক্ষান্তরে যে সমস্ত শব্দ আমাদের জাতীয় ভাব প্রকাশের পক্ষে পর্যাপ্ত নহে আমরা তৎপরিবর্তে আরবী বা পার্শী শব্দ অবশ্যই ব্যবহার করিব। উদাহরণস্বরূপ কয়েকটি শব্দের উল্লেখ করা যাউক।

বাঙ্গালায় “হস্তমুখ প্রক্ষালন” বলিলে যাহা বুঝায় মুসলমানের “ওজু” তাহা হইতে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ব্যাপার। হিন্দুর উপাসনার আসন ও মুসলমানের “মোছল্লা” বা “জায়নমাজ” ভিন্ন পদার্থ। হিন্দুর “উপাসনা” ও “উপবাস” মুসলমানের “নমাজ” ও “রোজার” ভাব প্রকাশ করিতে অসমর্থ। মুসলমানের “কেবলা” “নিয়ত” ও “ইমানের” প্রতিশব্দ বঙ্গভাষায় অজ্ঞাত। “বেহেস্ত ও দোজখের” পরিবর্তে “স্বর্গ ও নরক”, “হালাল ও হারামের” পরিবর্তে “বৈধ ও অবৈধ”, “গোছল ও খানার” পরিবর্তে “স্নান ও আহার” অবশ্যই চলিতে পারে।

কিন্তু “জবেহর” পরিবর্তে “বলি”, “বন্দেগী” বা “এবাদতের” পরিবর্তে “পূজা”, “সালামের” পরিবর্তে “প্রণাম” কিছুতেই চলিতে পারে না। স্বর্গের “অপ্সরা” দেবতা ও মুনিগণের মনোরঞ্জন করিয়া থাকেন, কিন্তু বেহেস্তী “হুর” কখনও কোন পুরুষের কাম দৃষ্টির বিষয়ীভূত হয় নাই। হিন্দুর “ঈশ্বর” বহু দেবত্ব ভাবের উত্তেজক, কিন্তু মুসলমানের “আল্লাহ্” একমাত্র আল্লাহ্। মুসলমান কখনও এই প্রকারের শব্দ পরিত্যাগ করিয়া প্রচলিত বাঙ্গালা প্রতিশব্দ ব্যবহার করিতে পারে না।

বঙ্গভাষায় প্রচলিত কতকগুলী শব্দ আমাদিগকে সতর্কতার সহিত পরিহার করিতে হইবে। “এজন্মে”, “মানবলীলা সংবরণ”, “বাগদেবী”, “সহিষ্ণুতার অবতার”, “যমদূতের মত” এবং “শ্রীযুক্ত” প্রভৃতি শব্দ হিন্দুয়ানীর দ্যোতক ও সম্পূর্ণরূপে মুসলমান ধর্মমত বিরুদ্ধ। ঐ সকল শব্দ আমরা কখনই ব্যবহার করিতে পারি না। পক্ষান্তরে আমাদের “তৌহিদ” “মসজিদ” “আজান” “রমজান” “কেয়ামত” “হাশর” আমাদিগকে ব্যবহার করিতে হইবে, কারণ সমস্ত শব্দের ভাবপ্রকাশের উপযুক্ত শব্দ বাঙ্গালা ভাষায় নাই। নূতন শব্দ নির্মাণ করিলেও “কেয়ামত” অর্থে “মহাপ্রলয়” বরং চলিতে পারে কিন্তু “হাসর” অর্থে “বিচার দিবস” বা “পুনরুত্থান দিবস” কখনই আমাদের বিশিষ্ট ধর্মগত ভাব প্রকাশ করিতে সক্ষম নহে। ধর্মরক্ষার্থে যুদ্ধ ও তজ্জন্য প্রাণত্যাগ করিবার বিধান অন্য কোন ধর্মে বিদ্যমান নাই, সুতরাং “গাজি” ও “সহিদের” জন্য “ধর্মযোদ্ধা” ও “ধর্মযুদ্ধে নিহত ব্যক্তি” প্রভৃতি ব্যবহার করিলে কেবল বল প্রকাশ করা হইবে মাত্র।

জগতের সমস্ত ভাষায় এমন কতগুলি নিজস্ব শব্দ প্রচলিত আছে, যাহাকে ইংরেজিতে ম্যাজিক ওয়ার্ড বলে। ঐ সমস্ত শব্দের সহিত ঐ সমস্ত জাতির জীবন সাধনার সম্বন্ধ আছে; এবং মুহুর্তে জাতির যুগযুগান্তের কত কাহিনী মনে পড়িয়া যায়। যেমন জর্মাণীর “Father Land” এব আমেরিকানের “Congress”. বাঙ্গালায় যদি বলি “তিনি মানবদেহ ত্যাগ করিয়াছেন” তাহা হইলে মনে পড়ে, তিনি বহু প্রকারের জীবদেহ ধারণ করিয়াছেন বা করিবেন। ইহা জন্মান্তরবাদে গভীর বিশ্বাসের কথা। তদ্রুপ মুসলমানের “জেহাদ”। ইহাকে “ধর্মযুদ্ধে” পরিণত করিলে কখনই “জেহাদের” উন্মাদনা আসিবে না।

ফলত: অমরা বাঙ্গালা ভাষাকে মুসলমানী ভাষায় পরিণত না করিয়া মুসলমানের ভাবে পূর্ণ করিব। দেহের দিকে না তাকাইয়া প্রাণের দিকে চাহিব। যে সমস্ত আরবী পার্শী শব্দের বিশুদ্ধ বাঙ্গালা প্রতিশব্দ আছে তাহা ব্যবহার করিয়া অনর্থক ভাষাকে জটিল করত: কৃত্রিম জাতীয়তা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করিব না। পক্ষান্তরে যে সমস্ত শব্দ আমাদের বিশিষ্ট ধর্ম ও জাতীয় ভাবের পরিচয দেয়, – যাহা আমাদের হৃদয়কে বহুদূরে সঞ্চালিত করে, – যাহা আমাদের বালকগণের মনের মধ্যে প্রবেশ করিয়া তাহাদিগের ধর্মগত বিশিষ্টতার প্রতি চৈতন্য উৎপাদন করে, – তাহা আমরা কিছুমাত্র চিন্তা না করিয়া সাহিত্যের মধ্য দিয়া ভাষার অঙ্গে গাঁথিয়া দিব॥”

– সাহিত্যের ভাষা / এয়াকুব আলী চৌধুরী

তথ্যসূত্র : এয়াকুব আলী চৌধুরী : অপ্রকাশিত রচনা / আমীনুর রহমান ॥ [ বাংলা একাডেমী – জুন, ১৯৯৩ । পৃ: ১২-১৬ ]

Kaus Kai | উৎস | তারিখ ও সময়: 2017-04-28 23:33:40