এক ভদ্রমহিলার একটা পোষ্ট দেখলাম। এক ভদ্রলোক তাঁর বোনের সাথে চিট করেছেন – এএসএম ফখরুল ইসলাম

এক ভদ্রমহিলার একটা পোষ্ট দেখলাম। এক ভদ্রলোক তাঁর বোনের সাথে চিট করেছেন। সম্পর্ক থাকা অবস্থায় ইনবক্সে অন্য মেয়ের সাথে ফ্লার্ট করেছেন। নিঃসন্দেহে অত্যন্ত খারাপ কাজ। এজন্য তাঁকে ঘৃণা করা যায়, তাঁর সাথে ব্রেক আপ করা যায়, কিন্তু এর চেয়ে বেশি কিছু করার কি সুযোগ রয়েছে?

সোনার বাংলা হলে আছে।

লোকজন কমেন্ট করে পরামর্শ দিচ্ছে সাইবার অ্যাক্টে মামলা করতে। কেউ পরামর্শ দিচ্ছেন র‍্যাব হেড কোয়ার্টারে জানাতে। ভদ্রমহিলা জানালেন, তিনিও এই অপশানগুলো নিয়ে ভাবছেন।

এখন কথা হচ্ছে, ভদ্রলোকের আইনী অপরাধটা কি? তাঁর বিরুদ্ধে যদি অনলাইন হ্যারাসমেন্টের অভিযোগ আনতে হয় তাহলে সেটা তো তিনি মাঝরাতে যাদের নাভির ছবি চেয়েছেন (আসলেই চেয়েছেন) তাঁরা আনতে পারে। উনার গার্লফ্রেন্ডের বোন পারে না। যাদের “হ্যারাস” করা হয়েছে তাঁরা তো উনার বিরুদ্ধে হ্যারাসমেন্টের অভিযোগ করে নি বা যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় নি, বরং ভদ্রলোকের লুইচ্চামির পরও দিব্যি চ্যাট/ফ্লার্টিং চালিয়ে গেছে। তাহলে গার্লফ্রেন্ডের বোন মামলা করা কে? র‍্যাব হেডকোয়ার্টারেই বা উনার কাজ কি?

সমস্যা হচ্ছে, সোনার বাংলায় এসব প্রশ্ন অবান্তর। ভিডিও/স্ক্রিনশট ভাইরাল হলে বা সঠিক কানেকশান থাকলে নগদে খেলা শুরু হয়ে যাবে। আইনের শাসন যে দেশে প্রহসন সেখানে সবাই সবার মত সুযোগ নেবে, হ্যারাস করেও কেউ ফল ভোগ করবে না, হ্যারাস না করেই অনেকে বাঁটে পড়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। সমস্যা হচ্ছে, যেটা অতীতে আলাপ করেছি (https://bit.ly/2Z02hO6), পুরুষ নির্যাতনটা এই দেশে সিস্টেমেটিক।

Asm Fakhrul Islam | উৎস | তারিখ ও সময়: 2019-08-11 10:08:05