সূরা লাহাব: – একেএম ওয়াহিদুজ্জামান

সূরা লাহাব:

১/ ধ্বংস হোক আবু লাহাবের হস্তদ্বয় এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও।
২/ তার ধন-সম্পদ আর সে যা অর্জন করেছে তা তার কোন কাজে আসল না।
৩/ অচিরেই সে শিখা বিশিষ্ট জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে,
৪/ আর তার স্ত্রীও- যে কাঠবহনকারিণী (যে কাঁটার সাহায্যে নবী-কে কষ্ট দিত এবং একজনের কথা অন্যজনকে ব’লে পারস্পরিক বিবাদের আগুন জ্বালাত)।
৫/ আর (দুনিয়াতে তার বহনকৃত কাঠ-খড়ির পরিবর্তে জাহান্নামে) তার গলায় শক্ত পাকানো রশি বাঁধা থাকবে।

কেয়ামত পর্যন্ত আবু লাহাবের বিষেদাগার (!) কোরানেই লেখা থাকবে। আমরা সেই বিষেদাগার (!) মূলক আয়াত পড়েই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি!
আবু লাহাব কিন্তু জীবিত ব্যক্তি নন, মৃত ব্যক্তি।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আবু সুফিয়ান এবং তার স্ত্রী হিন্দা চরম ইসলাম বিদ্বেষী ছিলেন। কিন্তু তার পরেও তাদের বিষেদগার করে কোরআনে কোন সূরা নাযিল হয়নি এবং জীবদ্দশাতেই তারা মুসলমান হয়ে গিয়েছিলেন। সূরা লাহাব নাযিল হওয়ার পর আবু লাহাব অনেক দিন জীবিত ছিলেন। ইচ্ছে করলে তিনি কোরআনের আয়াত ভুল প্রমাণ করার জন্য মুসলমান হয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটা করতে পারেননি। মৃত্যুর আগে হলেও কাকে আল্লাহ তওবা করার তৌফিক দিবেন, সেটা কেবলমাত্র আল্লাহ নিজেই নির্ধারণ করে রেখেছেন।

A K M Wahiduzzaman | উৎস | তারিখ ও সময়: 2019-01-04 17:07:53