সেক্যুলাঙ্গার আর নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী বালান্ধদের কথা বলছি ন – কায়কাউস

সেক্যুলাঙ্গার আর নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী বালান্ধদের কথা বলছি না। বলছি পশ্চিমা গণতান্ত্রিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মূল্যবোধের অনুপস্থিতিতে নিয়ত হাপিত্যেশ করে মরা, বাংলাদেশের সবকিছুকে পশ্চিমা তোলায় মাপা আলতো-ডান মধ্যপন্থী মডারেট মুসলমানদের কথা। বলছি যাদের কাছে “পাকিস্তান চইলা যা”-কে শাহবাগী গন্ধযুক্ত মনে হলেও “তুরস্ক চইলা যা”-কে মোটামুটি জামাত বিরোধীতার ছদ্মাবরণে সহনশীল মনে হয়, তাদের কথা। একটা গণতান্ত্রিক মুসলিম রাষ্ট্রে সামরিক বাহিনীর অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় তাদের আগ্রহ, ঔৎসুক্য, চাপা উল্লাস এবং আপাত: ব্যর্থতায় তাদের হতাশা তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক হীনমন্যতা আর নৈতিক দৈন্যতাকেই প্রকাশ করে। এ কারণেই তারা একে গণতন্ত্রের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ হিসেবে একেবারে প্রাথমিক পর্যায়েই খারিজ করে না দিয়ে, এ যে অবশ্যাম্ভাবী ছিল এবং তা যে সে দেশের বর্তমান সরকারের ভুল নীতির দুই হাতের কামাই ছিল সেটাই প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালায়। মডারেট এবং মধ্যপন্থার সম্মিলনে যে হাসজারু মুসলিম মানসিকতাকে এরা লালন করে সেটা বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর এক দেহের বেদনায় আপ্লুত হওয়াকে মধ্যযুগীয় এবং কট্টর ডানপন্থী অবস্থান হিসেবেই দেখে এবং অনাধুনিক ভেবে নিজের মধ্যে এর প্রকাশকে লজ্জাস্কর হিসেবেই ভাবে।

এ শুধু স্ববিরোধীতা নয়। মতাদর্শগত কারণে এক দেশে বৃষ্টি হলে অন্য দেশে ছাতা ধরার প্রবণতার মতোই এও ভিন্ন মতাদর্শের সবকিছুর বিরুদ্ধে নগ্নভাবে দাড়িয়ে যাওয়ার ভন্ডামি মাত্র॥

Kumar Parveen | উৎস | তারিখ ও সময়: 2016-07-16 16:53:45