পুলিশ বনাম সাংবাদিক লড়াই ওরফে কুত্তায় কুত্তায় কামড়াকামড়ি – আমান আবদুহু

পুলিশ বনাম সাংবাদিক লড়াই ওরফে কুত্তায় কুত্তায় কামড়াকামড়ি

টেকনাফের ওসি প্রদীপ কুমার দাশ হলেন মুজিবাদর্শের একজন কৃতি সৈনিক। তিনি অদম্য। পরশু শনিবার রাতেও তিনি এক রোহিঙ্গা দম্পতি স্বামী-স্ত্রী দিল মোহাম্মদ ও জাহেদা বেগম দুজনকেই একসাথে বন্দুকযুদ্ধে হত্যা করেছেন। সবমিলে এ পর্যন্ত তিনি তিন ডজনের বেশি রোহিঙ্গা মানুষকে এভাবে খেয়ে দিয়েছেন। এছাড়া অন্যান্যরা তো আছেই।

এদিকে সাংবাদিকরা মুজিবাদর্শের শ্রেণীতে উপরের লেভেলে থাকলেও সমস্যা হলো তাদের শক্তি কলমের শক্তি, অন্যদিকে পুলিশের শক্তি হলো লাঠির শক্তি। কক্সবাজারের সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা গত মাসের মাঝামাঝি রিপোর্ট করে বসেছেন “টাকা পেলেই ক্রসফায়ার দেন না টেকনাফের ওসি, থেমে নেই ইয়াবা পাচার!” লিংক: https://bit.ly/2kXiGFb এখানে তিনি প্রদীপ বাবুর হত্যা-ধর্ষণ ইত্যাদি মুজিবাদর্শ বাস্তবায়নমূলক কর্মকান্ডের বিস্তারিত এবং বেশ ভালো বর্ণনাই দিয়েছেন।

কি কারণে তিনি এই রিপোর্ট করেছেন তা আমাদের অজানা। তবে রিপোর্টে তিনি ওসি প্রদীপ কুমারকে বিএনপির লোক বলে চিহ্নিত করার একটা প্রাণপন চেষ্টা চালিয়েছেন। তাকে আওয়ামী লীগের 'অতন্দ্র প্রহরী'দের শত্রু, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী ইত্যাদি তকমা দিয়েছেন। জুমার নামায, ইফতার সেহেরি ইত্যাদির মর্মস্পর্শী বর্ণনা সহকারে তৌহিদী জনতার মনে হালকা লাড়া দেয়ার চেষ্টাও প্রশংসনীয়। রিপোর্টে তিনি নিজে অনেক বিপদের পরও শেষপর্যন্ত মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বদান্যতায় নিরাপদে থাকার কথা জানিয়েছেন।

নিজেকে বাঁচাতে তিনি ঢাকায় পালিয়ে নিরাপদে ছিলেন!! কিন্তু লাভ হয়নি। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বদান্যতায় সাংবাদিক সাহেব মারা খেয়ে গেছেন। পুলিশ তাকে শুক্রবার রাতে মীরপুর এক নাম্বারের এক বাসা থেকে গ্রেফতার করে ওসি প্রদীপ কুমারের কাছে পাঠিয়ে দেয়। প্রদীপ বাবু সাংবাদিক ভাইকে পর্যাপ্ত আদর-আপ্যায়ন করেছেন যা এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে। যাকে বলে ধুনিয়ে মোটামুটি তুলা বানিয়ে দিয়েছেন।

আমরা সাধারণ জনগণ এইসব কান্ডকীর্তি দেখে জয় বাংলা হুংকারে হর্ষধ্বনি প্রকাশ করছি। কারণ ষাড় বলেছেন, “আমাদের আর কী-ই-বা করার আছে?”




Aman Abduhu | উৎস | তারিখ ও সময়: 2019-09-23 12:43:34