বস্তিবাসীর জন্য আজকের দিনটি একটি ঐতিহাসিক দিন। এইদিনে তারা আবারও বুঝতে – আমান আবদুহু

বস্তিবাসীর জন্য আজকের দিনটি একটি ঐতিহাসিক দিন। এইদিনে তারা আবারও বুঝতে পারলো, তাদের জমিদারদের মাঝে শুধুমাত্র একজনের সত্যিকার অর্থে বিচি আছে। তিনি হলেন শেখ হাসিনা।

শি গট বলস। ভেরি স্ট্র্রং এন্ড মজবুত টু ঝুলন্ত বলস। অবস্থান ও নিয়ন্ত্রণ।

অন্যদিকে অন্যান্য জমিদার বা জমিদারীর দাবীদার যারা ছিলেন ও আছেন এই বাংলাদেশে, তারা আসলে একেকজন খাসি।

মহামান্য জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব বস্তিবাসীর নয়নের মণি রাজপুত্তুরদ্বয়কে লাত্থি মেরে প্রাসাদ থেকে বের করে দেয়া। কালকের রাজা আজকের ফকির। অন্যান্য খাসি যারা আছেন ও ছিলেন তারা এতদূর চিন্তাও করতে পারতেন না ও পারবেন না। করা তো দূরের কথা।

বিচি একটি গোপন বিষয় হলেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বলা যায়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। হরমোনজনিত এই পরিবর্তন কিভাবে একজন মানুষের দৌড়ের সীমানা নির্ধারণ করে দেয়, মাননীয় জননেত্রী ও বাংলাদেশের মালকিন তার এক জ্বলন্ত উদাহরণ।

লেজুড়বৃত্তিক গৌরবান্বিত ছাএরাজনীতি সবসময়েই লেজ হয়ে কুত্তাকে নাড়ানোর একটা সফল কার্যক্রম চালিয়ে এসেছে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনা এখানেও ঐতিহাসিক একটা কাজ করেছেন। আজকের এই ঐতিহাসিক ক্ষণে তিনি পরিস্কার করে দিয়েছেন, কুত্তাই লেজ নাড়াবে।

তিনি পরিস্কার দেখিয়েও দিয়েছেন, বিচি থাকলে কিভাবে কুত্তা তার লেজ নাড়াতে পারে। সন্দেহ থাকলে ইউটিউবে সার্চ করতে পারেন “রাব্বানী বললেন উপরে আল্লাহ নিচে শেখ হাসিনা”, দেখবেন ঐতিহ্যবাহী ছাএরাজনীতির লেজ কিভাবে তুমুল নড়তেছে।

ফ্যাসিবাদের কিছু মোরাল ফাউন্ডেশনের দরকার হয়। বাংলাদেশে ছাএলীগ হলো হিটলারের ব্রাউন শার্ট মিলিশিয়ার মতো। প্রচন্ড ক্ষমতাধর। কিন্তু আইনগত ও নৈতিক ভিত্তি নাই। সুতরাং তাদের নৈতিক ভিত্তিটা কল্পনায় তৈরী করাটা জরুরী। ভাইরাল রাব্বানী মনে করেছিলো ভাইরাল হলে এই ফাউন্ডেশন তৈরী হবে। একই ভুল কালা মাগুরও করেছিলো। তারা বুঝতে পারেনাই বাংলাদেশে ভাইরাল হওয়ার অধিকার আছে একমাত্র জমিদার বংশের। ভাইরাল রাব্বানী অবশ্য শেষে এসে বুঝতে পেরেছে তারপর টেলিভিশনে এসে চিমসােনো মুখে তালিজোড়া দেয়ার প্রাণপণ একটা চেষ্টা করেছে কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে কাউয়া কাদেরের কি পরিণতি হয়, তা বলতে পারেন একমাত্র 'উপরে আল্লাহ নিচে শেখ হাসিনা'!!

গণতন্ত্র? পদ্ধতিগত পরিবর্তন? সিরিয়াসলি বস্তিবাসী? কুত্তা যদি খাঁটি ঘি সেবন করে তাহলে না কি তার গায়ের লোম সব ঝরে গিয়ে করুণ দশা হয়। আমরা তো ভেজাল ঘিও নিতে পারি না। সুতরাং সবকিছু বিচারে বিচিওয়ালী হাসিনাই আমাদের জন্য উত্তম সমাধান। শফিক রেহমান ওয়াজ একদম রাইট। আমরা হলাম নেড়িকুত্তা। আমাদের উপযুক্ত শাসক হলেন বাঘাকুত্তা।

Aman Abduhu | উৎস | তারিখ ও সময়: 2019-09-15 01:48:56