From : সানজির হাবিব। – রেজাউল করিম ভূইয়া

From : সানজির হাবিব।
====================
ইসলামিষ্টদের সাথে একমত হওয়ার উপায় নেই। প্রত্যেকের মত ভিন্ন ভিন্ন। এবং একে অন্যের ব্যপারে টলারেন্ট না।

এক সাথে চলার উপায় নেই। মত পার্থক্য দেখা দিলে তারা গালাগালি “দালাল” আরম্ভ করে আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে যাবে।

এমন কি তাদের থেকে আমার ভালো কিছু শেখার নেই। কারন কোনো বিষয়ে যখন তারা প্রচুর দলিল-রেফারেন্স আনে তখনই দেখা যায় এটা মূলধারার আলেমদের কথার বিপরিত। শেষে যাচাই করে দেখা যায় তাদের কথা ভুল। মূলধারা ঠিক। মাঝে তার কথার পেছনে ঘুরে হয়তো কয়েক বছর নষ্ট।

কিন্তু তাদের সাথে থাকলে তাকওয়া, ব্যবহার, আখলাক — এগুলো নিশ্চই শেখা যাবে?

তাও না! কারন তাদের বেশির ভাগ সময় কাটে অন্যদের আক্রমন করে।

“আপনি নিজে মন্দ, তাই সবাইকে মন্দ দেখছেন।”

হতে পারে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তাদের নিজেদের মাঝে সম্মানজনক ব্যবহার দেখতে পেলে আমি নিশ্চিৎ হতাম দোষটা আমার। কিন্তু যখন দেখি তারা সবাই একে অন্যকে আক্রমনে ব্যস্ত, তখন নিজের দোষ এটাও মনে হয় না।

তবে সমস্যাটা কোথায়?

ইদানিং ইসলামিষ্ট দেখলে ভয় লাগে। কখন কোন পোষ্টে এসে “দ্বিন রক্ষার খাতিরে” আক্রমন করা আরম্ভ করে।

অনলাইনে ইসলামিষ্টদের থেকে আমি দূরে থাকার চেষ্টা করছি। এতে আমি নিজের ক্ষতি দেখছি না। যদিও ইসলাম নিয়ে কিছু কিছু পোষ্ট দেই তার পরও।

দুঃখিত। আপনার সাথে ফাইটে আমি জড়াতে পারছি না। আপনাকে নতুন কিছু শেখানোর ইচ্ছাও আমার ছিলো না। তাই আমাদের “বিচ্ছিন্নতায়” ক্ষতি নেই।
==================

সমাধান: তর্ক বিতর্ক না করে আলোচনা করা। ভদ্রভাবে। অতি উত্তেজিত হয়ে না যাওয়া। নিজের মতকেই একমাত্র সঠিক মত মনে না করে। নিজের পীরকেই একমাত্র সহীহ পীর মনে না করে।

টিটকারী মেরে কথা না বলা। ট্রল করে কথা না বলা। বিতর্ক করতে চাইলে, জাস্ট নরমালী কথা বলে বিতর্ক করা। টলারেন্ট হওয়া।

আমরা মানুষ, আমাদের সবারই চিন্তার লিমিটেশন আছে, এটা মাথায় রাখা। আমরা অনেক সময় অনেক তথ্য ভুল পেয়েছি বা অপরিপূর্ণ অবস্থায় পেয়েছি।

=============

জাযাকাল্লাহ।

M. Rezaul Karim Bhuyan | উৎস | তারিখ ও সময়: 2019-05-04 21:30:38