গুলিতে প্রাণ গেলো ২২ বছরের শ্রমিক সুমনের, আহত হলো শত শত শ্রমিক পুলিশ আ – কল্লোল মোস্তফা

গুলিতে প্রাণ গেলো ২২ বছরের শ্রমিক সুমনের, আহত হলো শত শত শ্রমিক পুলিশ আর স্থানীয় ক্ষমতাসীন মাস্তানবাহিনীর হাতে। বন্ধ হলো না গ্রেফতার, গুম হওয়া, মামলা। বাদ পড়লো না মেজিস্ট্রেটও। স্থানীয় মাস্তানরা খুঁজছে শ্রমিকদের। প্রত্যেক কারখানার সামনে পুলিশের সাথে তাদেরও লাঠি সোটা নিয়ে শ্রমিক শায়েস্তা করতে দেখা গেছে প্রতিদিন। এতকিছুর বিনিময়ে
অবশেষে বেতন বাড়লো ১৫ টাকা (৬ষ্ঠ গ্রেড), ২০ টাকা (৫ম গ্রেড), ১০২ (৪র্থ গ্রেড), ২৫৫ (৩য় গ্রেড)।
শ্রমিকদের যতটা বোকা ভাবা হয়েছিলো , ততটা বোকা শ্রমিকরা নন দেখে মালিক সরকারের যত গোস্সা শ্রমিক সংগঠকদের ওপর।বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিক নেতৃত্ব গ্রেফতার হচ্ছে, গ্রেফতার হচ্ছে সাধারণ শ্রমিকরা। ন্যায্য দাবির পক্ষে কোন উস্কানীর প্রয়োজন হয় না। উস্কানী আর ষড়যন্ত্রের পুরণো একঘেয়ে গল্পে ন্যায্যতা কখনোই আড়াল হয় না। ৩০ ডিসেম্বরের পর থেকে এবার নির্যাতন নিপীড়নের চেহারা যে কোন বারের চেয়ে বাড়বে এ সন্দেহতো আগেই ছিলো। শ্রমিকদের ওপরই প্রথম ’পরীক্ষা’ চললো। পোশাক শিল্পের প্রাণ অপারেটারদের ১৫-২০ টাকার বুঝ দিয়ে শিল্পের ও উৎপাদনশীলতার বিকাশ কী করে সম্ভব? এই রকম প্রতারণা আর শুভঙ্করের ফাঁকি দিয়ে শিল্পের বিকাশ সম্ভব না। শিল্পের বিকাশের স্বার্থে যথাযথ সমন্বয় প্রয়োজন। প্রয়োজন দমন পীড়ন পরিহার করে ন্যায্যতার কদর করা এবং পোশাক শ্রমিকদের তাঁদের রুটি রুজির কারখানায় কাজ করার সুযোগ তৈরী করা।

Kallol Mustafa | উৎস | তারিখ ও সময়: 2019-01-14 16:18:21