বাংলাদেশে মুসলিম প্রধান নাকি কাফের প্রধান দেশ : – রেজাউল করিম রনি

বাংলাদেশে মুসলিম প্রধান নাকি কাফের প্রধান দেশ :

“ধর্মদ্রোহী (কাফের) কথাটি কখনই শুধুমাত্র যারা খোদার অস্তিত্ব ও আত্মাকে অস্বীকার করেন তাদের ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়; বরং তাদের জন্যও প্রযোজ্য যারা বিপ্লবের জন্য সুনির্দিষ্ট ও দরকারী পদক্ষেপ দিতে অনীহা প্রকাশ করে।”
-আলি শারিয়াতি

আসেফ বায়াত একটি ( মার্কসবাদের একটি ইসলামি সমালোচনার ক্রিটিক) নামের প্রবন্ধে আলি শারিয়াতির বিখ্যাত লেখা, 'লেসনস অন ইসলামোলজি' -নামক লেখা থেকে এটা উদৃত করেছেন।
শারিয়াতিকে ইসলমিস্ট বলে ইসলামোফোবিক বামরা ঘৃণা করেন। আর ইসলমিস্টরা না বুঝেই তারে মোল্লাহ মনে করেন। তিনি ইরান বিপ্লবের তাত্বিক নেতাই শুধুই নন চিন্তার দুনিয়ায় উনার ইন্টারভেনশন আজও চিরস্মরনীয়।

শারিয়াতির কথা মানলে তো বাংলাদেশটা মুসলিম প্রধান না বলতে হবে কাফের প্রধান দেশ। কারণ এরা কেউ বিপ্লবের জন্য তেমন কিছু করছে না। উল্টা তেতুলও আজ মিষ্টি হয়ে গেছে। এটা নিয়ে লিখেছি, 'শাপলার শাহবাগি পরণতি'-নামক লেখায়।

মহরমের এই দিনে এয়াজিদি শাসনের বিরুদ্ধে ইসলাস্টদের কোন পজিশন নাই। কারবালার ঘটনায় নবী জির নাতীদের জন্য আলগা দরদের কোন দাম নাই। কারবালা ইরাকের একটি জায়গার না নয় মাত্র। যে কোন অত্যাচারতি ভূমির নাম কারবালা। যে কোন জালেম শাসক হল এয়াজিদ। অথচ মুসলমানরাও পোত্তলিকদের মত ইভেন্টপূজা করে। স্পিরিট হারায়ে অনুষ্ঠানে মশগুল। যা হোক যেটা বলছিলাম-

জালেমের বিরুদ্ধে লড়াই করা প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব। তবে এখানে কুরআন হাদিসের আলোকে বিতর্ক শুরু করতে চাচ্ছি না। সেটা অন্য আলাপ। অন্য ম্যাথডে করতে হয়। তাই বেহুদা তর্ক যেন না করি সেটা খেয়াল রাখতে হবে। ধন্যবাদ সবাইকে।

Rezaul Karim Rony | উৎস | তারিখ ও সময়: 2019-09-10 01:10:00