আমি স্ক্রিনশট প্রকাশের পক্ষে কোনোভাবেই না। ইনবক্স ব্যক্তিগত আলাপের মাধ – মাহবুব মোর্শেদ

আমি স্ক্রিনশট প্রকাশের পক্ষে কোনোভাবেই না। ইনবক্স ব্যক্তিগত আলাপের মাধ্যম। এইখানে কোনো প্রেশার নাই,বাধ্যতা নাই। কারো কথাবার্তা পছন্দ না হইলে ব্লক অপশন আছে। দুইজনের আলাপের ছবি তুইলা রাখাই তো স্ক্রিনশট । একপক্ষীয়তো ব্যাপার না। কাউকে আলাপের সুযোগ না দিলে স্ক্রিনশট তৈরি হয় কেমনে? কে প্রেসিডেন্ট, কে রাষ্ট্রদূত তা বিষয় না। আলাপ ভালো লাগে নাইতো ব্লক। শেষ। ধরেন, কেউ যদি বলে, রাইতে ভালো লাগেনা,আফা। ঘুম আসেনা, বাঁচতে মন চায় না, কইবেন, দূরে গিয়া মর, লুইচ্চা। মামলা খতম। সে কে, তা আপনার, আমার দেখার বিষয় না। কিন্তু কথাও চালাইবেন সুযোগমতো তারে ফাসাইবেন এইটাতো ঠিক হইলো না।

নারীবাদী কি আসলেই বুঝিনা। এই নারীবাদীরা বারবার তাদের প্যাটার্ন পালটায়। ইমতিয়াজ মাহমুদ এইসব নারীবাদীদের কারো ভাই, কারো বন্ধু, কারো দেবতা তাই সবাই একযোগে স্ক্রিনশটের বিপক্ষে গেলো। ইমতিয়াজের মাহমুদের পক্ষ নিয়া প্রিতীরে ধুইয়া দিলো। নারীর পক্ষে যায় নাই। প্রিতীর কপাল খারাপ। এখন গাজি রাকায়েতের বিপক্ষে গেলো নারীবাদীরা অথচ ঘটনা একই। সম্ভবত নারীবাদীদের সাথে রাকায়েতের বন্ধুত্ব নেই। রাকায়েতের কপাল খারাপ। সবাই অপরাজিতা নামের মেয়টার পক্ষ নিয়েছে, মেয়েটার কপাল ভালো।সবাই একযগে স্ক্রিনশটের পক্ষে।রাকায়েত স্পষ্ট করে মনের কুৎসিত চাহিদার কথা বলছে আর ইমতিয়াজ মন নিয়া খেলছে উদ্দেশ্য ওই কুৎসিত চাহিদাই।

আর স্ক্রিনশট দিয়ে কাউকে বিচার করা যায়না, বিচার করাও ঠিক না। আর শোনেন ইনবক্সের সব ডিলিট কইরা ধুইয়া মুইছা রাখেন, সত্যি মোবাইল যদি হ্যাক হয় আর তৃতীয় পক্ষ দলিল পাইয়া স্ক্রিনশট মারে আর তা প্রকাশ করে সেইটা বেশি ডেঞ্জারাস, লাইফ শেষ, ধ্বংস। স্ক্রিনশটের অনেক ভালো দিক আছে, সেইগুলাতে নজর দেন।

চাইলে হয়তো কাউরে কাদা ছিটানো যায়, ওই কাদার ছিটা নিজের গায়েও লাগবে। যারা আপনার পক্ষ নিবে তারাও পিছনে আপনারে নিয়া কথা কইবে, হাসবে। খাসলতের বাইরে কেউ না। নিজেরে বাঁচান, অন্যকে বাঁচাতে সাহায্য করেন। এখানে সেখানে না ঘুইরা নিজের মানুষের সাথে মন খুইলা গল্প করেন, ডরাইয়েন না

মাহবুব মোর্শেদ | উৎস | তারিখ ও সময়: 2018-03-21 17:39:34