পৃথিবীর ৯০ ভাগ কুক, ফ্রায়েড এগ বা বাংলাদেশের ডিমপোচ রান্না করতে পারে না – সিরিয়া – ফাহাম আব্দুস সালাম

পৃথিবীর ৯০ ভাগ কুক, ফ্রায়েড এগ বা বাংলাদেশের ডিমপোচ রান্না করতে পারে না – সিরিয়াসলি।

লকড ডাউন ডিমপোচ ছাড়া উতরানো যাবে না। ঠিক জিনিসটাই শিখেন।

১. ডিমপোচের প্রায় একমাত্র ইনগ্রেডিয়েন্ট হোলো খুবই ভালো হেভি নন-ষ্টিক প্যান। নন-স্টিক যতো খারাপ হবে আপনার ডিমপোচে ততো তেল দিতে হবে। ভালো হেভি নন-ষ্টিক প্যানে তেল না দিয়ে, কিছুই না দিয়ে খুব ভালো ডিমপোচ বানাতে পারবেন – সিরিয়াসলি।

২. কখনোই হাই হীটে ডিমপোচ করবেন না। “আহিস্তা” – ইজ দা কী ওয়ার্ড। খুব বেশী টেকনিক্যাল হওয়ার দরকার নাই। ৬৫ ডিগ্রীর কাছাকাছি থাকতে হবে। এগ-প্রোটিন হাই-হীটে ডিনেচার হলে ডিমের শাদা অংশে বুদ্বুদ হবে এবং রাবারের মতো বিশ্রী হয়ে যাবে।

এটাই সাইন্স।

৩. আপনি নন-ষ্টিক প্যানে লো কিংবা মিডিয়াম হীটে শুরু করেন। মোটামুটি ঠাণ্ডা অবস্থাতেই অল্প একটু তেল দিবেন। তেল স্প্রেও করতে পারেন। প্যান যত ভালো – তেল ততো কম।

৪. ডিম ভেঙ্গে প্যানে দেন। কুসুম যদি ভেঙে যায় য়ু আর নো কুক।

৫. লাস্ট স্টেপ কেউ করে না বাট ভেরী ইম্পরট্যান্ট। ডিম ছাড়ার পর আপনি পাত্রে ১ চা চামুচ পানি দেবেন (ডিমের ওপর না – আশে-পাশে )এবং সাথে সাথে পাত্র ঢেকে দেবেন। ডিমপোচ কখনোই আনকভার্ড প্যানে রান্না করবেন না। Never – ঐ এক চামুচ পানির যে বাষ্প, কভার্ড থাকলে সেটা ডিমের কুসুমটা রান্না করবে, যে কারণে আপনাকে ডিমটা উল্টাতে হবে না। ডিম যদি রমনা থানায় কিংবা RAB এর আস্তানায় থেরাপি হিসাবে পশ্চাৎদেশ দিয়ে না ঢুকায় – মনে রাখবেন যতো কম রান্না করা যায় ততো ভালো – অলওয়েইজ। চোখে ছানি পড়লে আপনার মনি যেমন ঘোলাটে হয়ে যায় – ঠিক সেরকম ডিমের কুসুম ঘোলাটে হয়ে যাবে বাষ্পরান্নায়। সারফেস বেশী গরম হয়ে গেলে আপনার শাদা অংশ ডিনেচার্ড হয়ে যাবে – য়ু ডোন্ট ওয়ান্ট দ্যাট। যখনই ল্যাটকা অংশ পুরোপুরি জমে গেছে – সাথে সাথে রান্না বন্ধ।

খেলা শেষ – লবন ও ফ্রেশলি গ্রাউন্ড গোল -মরিচ।

এমেইজিং। নাথিং ক্যান বীট ইট।

বোন এপেটিট

Faham Abdus Salam | উৎস | তারিখ ও সময়: 2020-03-27 11:12:45