গতকাল রাতে একজন একজন নবীন ডাক্তারের মা জ্বশ্বাগকা রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার প্রায় – জিয়া হাসান

গতকাল রাতে একজন একজন নবীন ডাক্তারের মা জ্বশ্বাগকা রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার প্রায় পাঁচটি হসপিটালে ঘুরেন। কোন হসপিটাল তাকে নেয় নাই।
স্ক্রিনশটের স্বাচিপ নেতা ডাক্তারের বক্তব্য মতে, সবার শেষে কুর্মিটোলা থেকে করোনা সন্দেহে পাঠিয়ে দিয়েছে কুয়েত মৈত্রীতে।
কিন্তু করোনা নিশ্চিত না হওয়াতে কুয়েত মৈত্রী আবার তাকে ভর্তি করে নাই।
বেশ কয়েক জন ডাক্তার নিশ্চিত করেছেন, এই অবস্থায় তিনি মারা যান।
বিষয়টি অনেক ডাক্তারই জানেন। কিন্তু, তারা মুখ খুলবেন না। কারণ, এই মুহূর্তে তারা ইন্টেলিজেন্সের চাপে আছেন। গুজব ছড়ানোর দায় কেউ নিতে চায় না।

বিষয়টা করোনা কি করোনা নয়, সেইটা নয়। বিষয়টা হচ্ছে, মানুষ এখন চিকিৎসা পাচ্ছেনা। এমনকি ডাক্তারদের পরিবার চিকিৎসা পাচ্ছেনা। সকল প্রতিষ্ঠান ফিরিয়ে দিচ্ছে।

শুধু করোনা নয় অজস্র রোগে শ্বাস কষ্টের লক্ষণ দেখা দেয়। সকলেই কাশি বা শ্বাসকষ্ট দেখলে ফিরিয়ে দিচ্ছেন এবং নিরাময় যোগ্য রোগী মারা যাচ্ছে।

সরকার বাহাদুর টেস্টের জন্যে একটির স্থলে ১৭ টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছেন, শুক্রিয়া । কিন্তু, হসপিটাল গুলো রোগী ফিরিয়ে দেওয়ারে কারনে এমন কি ডাক্তারের মা চিকিৎসা না পেয়ে মারা যাচ্ছে এমন কি স্বাচিপ নেতাদের হস্তক্ষেপের পরে রোগীকে এডমিশান দিচ্ছেনা- এইটা একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি। এটা নিয়ে কোন ব্যবস্থা সরকার নেয়নি।

সরকারকে খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে যেন এই পরিস্থিতিটা পরিবর্তন হয়।

ইমিডিয়েটলি বাংলাদেশের আর্মির প্রত্যেকটা ফিল্ড এম্বুলেন্স হসপিটালকে ডেপ্লয় করতে হবে।

করোনা এবং নন করোনা রোগীর জন্যে পর্যাপ্ত অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রতি বছর ৭ লক্ষ রোগী মানে মাসে প্রায় ৬০ হাজার রোগী জরুরী চিকিৎসা নিতে ভারতে যায়। ভারতের দরজা বন্ধ হওয়াতে এমনিতেই এখন একটা চাপ পরবে। ফলে করোনা আসুক কি না আসুক এই চাপটা নিতে অতিরিক্ত ক্যাপাসিটি যোগ দিতে হবে।

হাজার হাজার বৃদ্ধ, নারী, শিশু, প্রেগন্যান্ট মহিলা, ক্যান্সার রোগী, ফুসফুসের রোগী এখন চিকিৎসা পাচ্ছেনা এই কেওসের কারনে। ভারত মুখি অসংখ্য রোগীর জন্যে এখন ক্যাপাসিটিও নাই। কিন্তু বাংলাদেশের ভেতরেই ক্যাপাসিটি বাড়ানোর সুযোগ আছে ফিল্ড এম্বুলেন্স ইউনিট গুলো ডেপ্লয় করে।
জরুরি হসপিটাল নির্মাণ করে। ইতালি ইন্টার্ণী ডাক্তারদের দ্রুত প্রমোশান দিয়েছে ক্যাপাসিটি বাড়ানোর জন্যে।
আন্তর্জাতিক সহায়তাও আমরা চাইতে পারি।
এখনো করোনা প্রাদুর্ভাবের প্রথম দিকে আছি। এখুনি এই অবস্থা হলে সামনে আরো খারাপ সিচুয়েশান আসতে পারে।

চাইলে অনেক কিছু করা সম্ভব। কিন্তু চাইতে হবে সবার আগে।

এই গুলো বেসিক কমন সেন্স ইস্যু। এই গুলো বুঝতে ডাক্তার হইতে হয়না হেলথ মিনিস্টার হইতে হয়না।

নইলে প্রতিটা মৃত্যুর জন্যে আপনারাই দায়ী থাকবেন।
——–

তাজকিয়ার মায়ের জন্যে সমবেদনা। দুঃখিত বোন।





Zia Hassan | উৎস | তারিখ ও সময়: 2020-04-01 14:25:03