ড. আব্দুর নূর তুষারের বক্তব্যের ভিডিওটা দেখলাম। কন্ঠের জোশ ও আন্তরিকতা দেখে ৩০ স – এএসএম ফখরুল ইসলাম

ড. আব্দুর নূর তুষারের বক্তব্যের ভিডিওটা দেখলাম। কন্ঠের জোশ ও আন্তরিকতা দেখে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই বুঝে গিয়েছিলাম, তিনি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ডাক্তারদের নিরাপত্তার অ্যাঙ্গেল থেকে শংকিত। ধারণাটা উনার ব্যাপারে প্রিকনসিভড আইডিয়া থেকে উদ্ভূত। একজন ডাক্তার হিসেবে ডাক্তারদের ইস্যুতে তিনি প্রচন্ড অ্যাকটিভিউজম করে থাকেন। মাঝে মাঝে সে মাত্রা অ্যাকটিজম ছাড়িয়ে দলকানামির দিকে চলে যায়। এখানে অবশ্য যথাযথই ছিলো। যা বলেছেন সঠিক বলেছেন। যেই জোশের সাথে বলেছেন সেই লেভেলটাও সঠিক। জাস্ট উনি মানুষটা সঠিক না।

বিভিন্ন পেশাজীবিদের ইউনিয়ন সব দেশেই আছে। তাঁরা নিজেদের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করে। কিন্তু বাংলাদেশে এটার নামে যা চলে সেটা সিম্পলি ট্রাইবালিজম। নিজের গ্রুপের লোকের জন্য পরান ফাইট্টা যায়। নিজের সমিতির প্রতিটা লোককে জীবন দিয়ে ডিফেন্ড করতে হবে। ঠিক-বেঠিকের কোনো বালাই নাই। ইউ নো ওয়াট আই অ্যাম টকিং অ্যাবাউট। ইউনিয়নের নামে এই অসভ্যতাটা কিন্তু পশ্চিমের এসব দেশে নাই। পশ্চিমের দেশগুলোতে অবশ্য কোনো ধরণের অসভ্যতা নাই বললেই চলে। এরকম আচরণ করা বোধহয় তাঁদের কল্পনারই গন্ডির বাইরে।

এখন দু-একজন দৌড়ে চলে আসবেন, “ওরা যে ল্যাংটা হয়ে ঘুরে এটা অসভ্যতা না?” এখানে সেই অসভ্যতা নিয়ে কথা হচ্ছে না। এটা অশালীনতা। অসভ্যতা না। মাথায় গোবর নিয়ে ফেইসবুকিং করবেন না। সেল্ফ-কোয়ারেন্টিন করুন।

আমাদের দেশে ন্যায়-নীতিবোধের বড় অভাব। সবকিছু কেমন যেন আদিম, পশুর মত। বাইরে থেকে তো নীতিবোধ, আদর্শ দেখানো খুবই সহজ। এই সহজ কাজটাও এই দেশে খুব বেশি মানুষ করতে পারে না। শহীদুল আলম, আসিফ নজরুলের মত স্বাধীন নীতিবোধের জায়গা দেখাতে পারা মানুষ এই দেশে খুব বেশি নাই।

Asm Fakhrul Islam | উৎস | তারিখ ও সময়: 2020-03-21 20:16:21