একটা সময় ছিল প্রথম আলো এবং আমার দেশ পড়ে তাকে দুই দিয়ে ভাগ করে এভারেজ করলে, কো – ইমতিয়াজ মির্জা

একটা সময় ছিল প্রথম আলো এবং আমার দেশ পড়ে তাকে দুই দিয়ে ভাগ করে এভারেজ করলে, কোন বিষয়ের প্রকৃত ঘটনা বুঝতে পারা যেত।(এইটা আমার একটা থিওরি আপনার মানারা দরকার নেই)। কিন্তু আমার দেশ নিষিদ্ধ করার পরে সেই সুযোগ আর থাকলো না।

২০১৬ থেকে ১৮ – এই সময়টুকুতে যে পত্রিকাটির রাজনৈতিক রিপোর্ট নির্ভরযোগ্য মনে হয়েছে, তা হচ্ছে মানবজমিন। যদিও মানবজমিন একটি ট্যাবলয়েড। কিন্তু পলিটিক্যাল রিপোর্টিংয়ে, মানবজমিনের মান আমার কাছে অত্যন্ত উঁচু মনে হয়েছে। কারণ তাদের রিপোর্ট পলিটিকাল কারেক্টনেস এবং আওয়ামী লীগকে তোয়াজ করার ভাবনা মাথায় রাখার প্রবণতা কম।

যদিও গত বছর খানেকের মানবজমিনে দেখা হয়নি কিন্তু বেশ কয়েকটা বছর, যেকোনো সেনসিটিভিটি ইস্যুতে মানবজমিন খোঁজ করতাম।
টকশোতে মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী কে দেখেছি। তাকে অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ মনে হচ্ছে।

যে সময় বড় বড় সম্পাদকরা তেল ঝরাতে ঝরাতে, তেলের খনি বানিয়ে ফেলেছেন- সেসময় একটা ঋজু দৃঢ়তা তার কথায় এবং আচরণে দেখতে পেয়েছি।

পাপিয়া ইস্যুতে রিপোর্ট করার কারণে সম্পাদক হিসেবে তিনি মামলার মুখে পড়েছেন।

মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীর কণ্ঠরোধ করার জন্য, যে মামলা করা হচ্ছে – তার প্রত্যাহার চাই।

আমাদের চাওয়াতে কিছু যায় আসে না। কিন্তু যদি আমরা সকলে সমস্বরে আওয়াজ ধরি, তাহলে কিছুটা হলেও আলোড়ন তৈরি হয়। বন্ধুদের সকলকে অনুরোধ করছি, মানবজমিন সম্পাদকের উপরে মামলার প্রতিবাদ করতে।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কোন বিকল্প নাই।

Imtiaz Mirza | উৎস | তারিখ ও সময়: 2020-03-12 22:56:53