গত ১০ বছরে আমার পাওয়া সবচে গুরুতৃপূর্ণ শিক্ষার একটা হচ্ছে শিক্ষিত মুর্খ, সার্টি – ইমতিয়াজ মির্জা

গত ১০ বছরে আমার পাওয়া সবচে গুরুতৃপূর্ণ শিক্ষার একটা হচ্ছে শিক্ষিত মুর্খ, সার্টিফিকেটধারী অর্ধ-শিক্ষিতদের চেনা আর তাদের প্রভাব থেকে বেচে থাকা রিলিজিয়াস ফ্যানাটিকদের কাছ থেকে বেচে থাকার মতোই গুরুত্বপূর্ণ।
শিক্ষিত মুর্খরাদের সাথে তর্ক করা যায় না কিংবা তাদের ভুল ধরা যায় না। তাদের জ্ঞান সীমিত আর ভুল শোধারায় দেয়া হলেও তারা তাদের বিশ্বাস থেকে বের হয়ে আসতে পারে না।

বাংলাদেশে শিক্ষিত হওয়াটা প্রিভিলেজ বটে। গ্রাম – মহল্লা – পাড়াতে সম্মান পাওয়া যায়। সেই ফেইক সম্মানের বশে তারা ভাবতে শুরু করে তাদের কোন দোষ নাই, তারা ভুল করতে যানে না।
কিন্তু ২৪-২৫ বয়সে ইউনিভার্সিটির শিক্ষা আসলে কোন শিক্ষায় না।
ইউনিভার্সিটি গুলো যেটা করে সেটা হলো ব্রাইট মাইন্ড গুলোকে
আর অনেক জ্ঞান আর বিশ্লেষন এর জন্য প্রস্তুত করে দেয়।

সেই ঠুনকো পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান আর সার্টিফিকেটের ভারে অনেকের পা মাটিতে পড়ে না। আমার দেয়া প্রগতিস্টিউটরা এই অর্ধশিক্ষিত আর শিক্ষিত মুর্খের দল। এদের বিচার বিশ্লেষন করা খুব খুব জরুরী।
তবে বলে রাখা ভালো আমরা নিজেরাও জীবনের কোন না কোন সময় প্রগতিস্টিউট আর শিক্ষিত মুর্খ – অর্ধশিক্ষিত ছিলাম, এদের অবস্থা বোঝার জন্য নিজের সমালোচনা করা অনেক জরুরী।

সামিয়া রহমানকে টিভি উপস্থাপনা করতে দেখছি, চরম মাত্রার আওয়ামী ধার্মিক আর ইসলামবিদ্বেষী প্রো ভারতীয় স্টান্স তার।
সামিয়া রহমান সম্প্রতি ধরা খেয়েছে মিশেল ফুকো আর্টিকেল থেকে রিসার্চ পেপারে চুরি করে। সাথে এডওয়ার্ড সাঈদেরও আর্টিকেল চুরি করেছে।
চুরি করে ধরা খাওয়ার পর এখন সে বলছে যে নারীদের কোন ভাবে আটকানো যাবে না, আর সে কোন অপরাধ করেনি।

আওয়ামি ধার্মিক আর প্রগতিস্টিউটদের নিয়ে এই সমস্যাটা আমার সবচে বেশি হয়। এরা প্রথমত চুরি করে (অন্যরাও চুরি করে), চুরির পর মহাচুরি করে, এরপর বুক ফুলিয়ে বলে চুরি করেছি ভালো করেছি পারলে ঠেকান, এরপর ধরা খেলে ভিক্টিম কার্ড খেলে, এরপর চেতনা কার্ড খেলে।
চুরি করে লজ্জা পাওয়ার সংস্কৃতি সারা দুনিয়াতে চালু ছিল।
আওয়ামী ধার্মিক আর প্রগতিস্টিউটরা এই নূন্যতম লজ্জাটাও তুলে দিচ্ছে।

প্লেজারিজম খুব কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রন করা হয় পশ্চিমে। বাংলাদেশে কিংবা চায়না কিংবা ভারতে এসবের ব্যাপারে তেমন কঠোরাতা নেই।।
এমনকি কিছুদিন আগে দুইলাইন বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করার কারনে ফরিদ জাকারিয়াকে মাফটাফ চেয়ে অনেক জলঘোলা করে বাচতে হয়েছে।
প্লেজারিজম নিয়ে পেটেন্ট ট্রোলিং হয়। প্লেজারিজম নিয়ে বিলিয়ন ডলারের মামলা হয় কোম্পানি গুলোর মধ্যে।

আমার ধারনা সামিয়া রহমানের প্লেজারিজম নিয়ে কোন ঘটনাই ঘটবে না। সামিয়া রহমানরা অনেক বড়ো বড়ো ফেইক নিউজ চালায়। প্লেজারিজম তার কাছে খুব গৌণ একটা ইস্যু।

এইরকম ফেইক নারীবাদী, প্রগতিস্টিউট, অর্ধশিক্ষিত, দলদাসদের আসলে আটকানো মুশকিল।
তবে আমাদের যেটা করা উচিত এদের প্রতিটা ঘটনা লিপিবদ্ধ রাখতে হবে। এক ক্লিকে যেনো এদের আমলনামা বের হয়ে আসে।
বাংলাদেশেকে অন্ধ মুর্খ অজ্ঞানতা বেহিসাবী উন্নয়ন আর কর্দয প্রগতিশীলতা দেশ বানানোর জন্য এদেরকে চিন্থিত করা খুব জরুরী।
পরবর্তী প্রজন্মের উঠতি সামিয়া রহমানদের গোড়াতে শিকর কেটে দিতে হবে। ভিক্টিম কার্ড খেলে, বিবেক বেচে, দলবাজি করে আর ছদ্মপ্রগতিশীলতা দিয়ে যেন কেউ সুবিধা করতে না পারে।

Imtiaz Mirza | উৎস | তারিখ ও সময়: 2017-09-30 21:08:47