আশি-নব্বই এর দশকে দেওয়ানবাগি হুজুরের এক বিশাল কেরামত ছিলো। যাদের অনেকদিন সন্তান – আমান আবদুহু

আশি-নব্বই এর দশকে দেওয়ানবাগি হুজুরের এক বিশাল কেরামত ছিলো। যাদের অনেকদিন সন্তান হচ্ছে না তারা হুজুরের দরবারে গিয়ে সন্তান অর্জন করতো। হুজুর তাদেরকে আলাদা আলাদা করে বিশেষ যত্নসহকারে বেশ কিছুদিন যাদু দিতেন। ডিমপড়া দিতেন। নানা রকম অলৌকিক অষুধ ধোঁয়া অন্ধকার হুজরাখানায় মোলাকাত ও মারহাবা ইত্যাদি দিতেন। তারা স্বপ্নে তখন নানারকম হুজুরের সোহবত পেতো। তারপর হুজুরের কেরামতের বদৌলতে একদিন দেখা যেতো তারা গর্ভবতী হয়ে গেছে। তারপর তারা বিচিত্রা পুর্নিমা ইত্তেফাকে হুজুরের সাফল্য কামনা করে বিজ্ঞাপন দিতো। সবই কেবলা হুজুরের মর্তবা।

রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা হুজুর আসলে একজন আজীবনের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি অনবরত মুক্তিযুদ্ধ করতে করতে এদেশের অসংখ্য পরিবারে অসংখ্য মানসসন্তান পয়দা করেছেন। ভাগ্য ভালো যে তখন ডিএনএ টেস্টের নামও জানতো না কেউ। এই সকল মানসসন্তানেরা সবাই বড় হয়ে হুজুরের চেতনা ধারণ করে শাহবাগি হয়ে গেছে। এর নাম হলো রক্তের টান। এভাবেই হুজুর কেরামতের মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে গিয়েছেন। তাইতো কবি বলেছেন, ভাই বড় ধন রক্তের বাঁধন/ যদিও পৃথক হয় নারীর কারণ।

উৎস । তারিখ: 2020-12-28 12:57:42

22 thoughts on “আশি-নব্বই এর দশকে দেওয়ানবাগি হুজুরের এক বিশাল কেরামত ছিলো। যাদের অনেকদিন সন্তান – আমান আবদুহু”

  1. ইউটিউবে একটা ভিড্যু দেখলাম..

    সুন্দরী কিছু বেডি তার পুজা করতেছে 🤦‍♂️🤦‍♂️🤦‍♂️

  2. আমার খুব ক্লোজ রিলেটিভের মধ্যে একজন ছিলো দেওয়ানবাগীর সেকেন্ড ইন কমান্ড৷ সম্পর্কে আমার মামা হয়। সেই চাল্লু লোক। একসময় জামায়াত নেতা ছিলো, তারপরে হইছে দেওয়ানবাগী, চরমোনাইরা এদেরে এলাকা থেইকা খেদানোর সময় হইয়া গেলো চরমোনাই৷ চরমোনাইয়ের টিকেটে নির্বাচনও করছিলো।

  3. ওইটা ছিল সায়দাবাদী। ওর মোকামে গিয়ে অনেক নিঃসন্তান মহিলা সন্তানের মা হয়েছিল।
    বড় আফসোস ছিল ওই মোকামে যদি একখানা চাকুরী পেতাম!!
    তাগড়া তাগড়া জোয়ান ছোকরাদের নাকি রাখত ওখানে।

  4. এই পটল তোলা পটকা মাছ মাটিতে পোঁতার সময় কয় টুকরা করে গর্তে নামাতে হবে ?

  5. নারীর কারণ মানে বুজলাম না। নারী তাকে ধনধান্যেপুষ্পে ভরে তো দিয়েছে।
    তার মানে অধিক ভরতে গিয়ে নিঃশেষ হয়ে গেছে?
    হাইহাই

  6. এই কেয়ামতি শিখেছিল মুক্তিযুদ্ধের সময় আর কেয়ামতির প্রোডাক্ট হচ্ছে শাহবাগী ৭১ মুক্তিযুদ্ধা!

Comments are closed.