রহস্যময় মনোলিথ এখন ঢাকার বুকে: মুর্তি নির্মাণে জ্বিন জাতির ভূমিকা নিয়ে জনমনে নান – আমান আবদুহু

রহস্যময় মনোলিথ এখন ঢাকার বুকে: মুর্তি নির্মাণে জ্বিন জাতির ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক

কয়েক সপ্তাহ আগে আমেরিকার ইউটা স্টেটে এক মরুময় নির্জন পাহাড়ি এলাকায় হঠাৎ একটি স্টিল স্ট্রাকচার দেখা যায়। রাতারাতি এই মনোলিথ গজিয়ে উঠার পর অনেকেই মনে করতে থাকে এটি ভীনগ্রহের এলিয়েনরা রেখে গেছে। সম্ভবত ভবিষ্যতে তাদের কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য জায়গাটিকে তারা মার্ক করেছে। কয়েকদিন পর ঐ দশ ফুট উচু ধাতব স্ট্রাকচারটি রাতারাতি উধাও হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে দেখা যায় রোমানিয়ার এক পাহাড়ী উপত্যকায় তা গজিয়ে উঠেছে। কয়েকদিন পর আবার দেখা গেলো ধাতব বস্তুটি আমেরিকায় ফিরে গেছে, তবে এবার ক্যালিফোর্নিয়া নামক অন্য আরেক স্থানে। সম্প্রতি এই মনোলিথ অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নেও রাতারাতি গজিয়েছে।

সারা বিশ্বজুড়ে এই নিয়ে যখন নানা জল্পনা কল্পনা এবং নানারকম মার্কেটিং বা আর্টিস্টদের দাবী চলমান তখনই মনোলিথটি এবার দেখা গেলো ঢাকার রাস্তায়। এ নিয়ে মোবাঙালিডটকম একটি গোপন তদন্ত চালায়।

মুফতি ইব্রাহিম হুজুর জানিয়েছেন এটি হলো জ্বিন জাতির নির্মিত ভাস্কর্য। ইটালি থেকে তাকে মামুন মারুফ স্বপ্নে জানিয়েছে, জ্বিনরা এই মনোলিথ দিয়ে ইশারা করছে, তোমরা মানুষের মুর্তি না বানিয়ে শিল্প করো।

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ রাশেদ খান মেনন বলেছেন, শিল্প কোন জাতি ধর্ম বর্ণ মানেনা। এই মনোলিথের সাদামাটা সমান গড়নে একটি শ্রেণীহীন সমাজের প্রেরণা দেখা যায়। তিনি বলেন, মনোলিথটির রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির প্রধান হিসেবে টেন্ডার প্রক্রিয়ার যথাযথ দেখভালের মাধ্যমেই তিনি শ্রেণীহীন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবেন।

কিন্তু এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বাংলাদেশের প্রধান শিল্পী হাসেম খান বলেন, একটা কিছু করলেই শিল্প হয়না। এই যে একটা খাম্বা, এখানে ক্রিয়েটিভিটি কোথায়? এটা তো যে কেউ করতে পারে। চারুকলা থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পাওয়া একজন শিল্পী এই মনোলিথকে স্বীকৃতি দিতে পারেনা। এটি হলো শিল্পের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র।

এ বিষয়ে বিশিষ্ট শাহবাগি সাংবাদিক অঞ্জন রায় বলেন, মনোলিথটি আসলে ভিনগ্রহবাসীদের পক্ষ থেকে উপহার। র ম্যাটেরিয়াল। এটিকে কেটে ছেটে সাইজ করে বঙ্গবনদুর মুর্তি বানাতে হবে, এটিই তারা চাইছে।

এমতাবস্থায় বিশিষ্ট ওয়ায়েজিন এবং তৌহিদি জনতার প্রাণস্পন্দন কুয়াকাটা হুজুর হেলিকপ্টার থেকে মোবাইলে আমাদের সংবাদদাতাকে জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বোগদাদী বংশের লোক। তিনি এই লোহার খাম্বাকে দ্বীনের খেদমতে ব্যবহার করবেন, সেই আস্থা তার আছে। হেলিকপ্টারের আওয়াজ ছাপিয়ে অবশ্য এ সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে তাহেরি হুজুরকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, ওরে বাটপার।

উৎস । তারিখ: 2020-12-06 06:24:37

9 thoughts on “রহস্যময় মনোলিথ এখন ঢাকার বুকে: মুর্তি নির্মাণে জ্বিন জাতির ভূমিকা নিয়ে জনমনে নান – আমান আবদুহু”

  1. বড় চিন্তার মইদ্যে পইরা গেলাম। খাম্বাটা কি কাজে ব্যবহার হতে পারে?

  2. এটা আর এফ এল কম্পনির কিনা কুয়াকাটা হুজুর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

  3. হাজী রাশেদ খান মেনন কি এও বলেন নি যে ঢাকার বিভিন্ন অবৈধ জুয়ার ব্যবসা থেকে মাসে ১৫-৩০ লাখ টাকা করে খেয়ে খেয়ে উনি অলরেডি শ্রেণীহীন সমাজ বিনির্মানে ভুমিকা রেখে চলেছেন😜😜

  4. এহেন চেতনাসমৃদ্ধ একটি টপিকে আল্লামা হড়হড় ট্রেঞ্চোদবালের মন্তব্য না নেয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছি।

Comments are closed.