বাকশাল দিয়ে মুজিব আসলে গণতন্ত্রের দ্বিতীয় বিপ্লব করতে চাইছিলো, তখন যুদ্ধপরবর্ত – আমান আবদুহু

বাকশাল দিয়ে মুজিব আসলে গণতন্ত্রের দ্বিতীয় বিপ্লব করতে চাইছিলো, তখন যুদ্ধপরবর্তী পরিস্থিতি এমন ছিলো তেমন ছিলো, সে খুব সাধারণ জীবনযাপন করতো নিজে কোন চুরি করেনই; এইরকম হাজারো গালগপ্প দিয়ে আওয়ামীরা একাত্তর থেকে পচাত্তর সময়কালের ইতিহাসকে যতই পাল্টাতে চেষ্টা করুক, গান্ডু তরুণ প্রজন্মের কাছে এই প্রপাগান্ডা ছড়ায়া দিতে তারা বেশ ভালো মাত্রায় সফলও, কিন্তু যারা ঐ সময়টাকে দেখেছে তাদের কাছে স্বৈরাচারী মুজিবের শাসনকালের ডিফাইনিং ফ্যাক্টর হলো চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ। মুজিবের নাম এবং মুজিবের সৃষ্ট দুর্ভিক্ষের নাম তাদের কাছে সমার্থক শব্দ। এখন মনে হচ্ছে ভবিষ্যতে হাসিনার শাসনকালের ডেফিনিশন দেয়া হবে করোনাভাইরাস দিয়ে। করোনাভাইরাসের সুযোগ চুরিচামারি করে বাংলাদেশে যে মাত্রার মহামারী তৈরি করা হয়েছে, এরকম অবস্থা সম্ভবত পৃথিবীর আর কোন দেশে হয়নাই। প্রতিনিয়ত মানুষ মারা যাচ্ছে, কিন্তু কোন কিছু করার নাই। সব সংখ্যা এখন ঠিকই আড়াল করে রাখা যাচ্ছে, কিন্তু একসময় গিয়ে মানুষ দেখবে তার পরিচিতদের মাঝেই অনেক মানুষ মারা গেছে। এই মুহুর্তে বাংলাদেশে এমন কেউ আছে কি না সন্দেহ, যার পরিচিতদের মাঝে কেউ না কেউ এই এক বছর সময়কালে মারা যায়নাই। তবে একটা সুবিধা হলো বাংলাদেশের মানুষের জীবনের কোন দাম নাই। এরকম মহামারীতে গরু ছাগল মারা গেলেও এরচেয়ে বেশি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া হতো, বেশি সাড়া পড়তো। সুতরাং গরু ছাগলেরও অধম লক্ষ লক্ষ বাঙালির পগারপাড় হওয়ার বিষয়টাকে এখন খোদ বাঙালি নিজেই পাত্তা দেয় না। নিজেদের কাছে যারা এতোটা মূল্যহীন, এই সব ফইন্নিদেরকে তো অন্যরা গোণাতেও ধরবে না। স্বাভাবিক। এইদিক থেকে দেখলে প্লাস তার সাথে প্রপাগান্ডা যোগ করে হাসিনা হয়তো এই বদনাম থেকে পার পেয়ে যেতেও পারে।

উৎস । তারিখ: 2020-12-01 17:56:03

3 thoughts on “বাকশাল দিয়ে মুজিব আসলে গণতন্ত্রের দ্বিতীয় বিপ্লব করতে চাইছিলো, তখন যুদ্ধপরবর্ত – আমান আবদুহু”

  1. ছোটবেলায় নির্বাচনের জনসভায় একটা গান শুনছিলাম, ঠিক এক রকম,
    চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষে কত মানুষ মইরাছে, আজাজিল শয়তান আবার বাংলা হান্ধায় ছে।

  2. পার পেয়ে যাবে। কারণ হাসিনা গান্ডুদের গান্ডুত্ব সঠিকভাবেই মেপে ফেলেছে।

Comments are closed.