ছাগলে মুখ দিলে যেমন ফসল আর বাড়ে না, তেমনি কোন আওয়ামী-শাহবাগি ইসলামোফোব মুখ দিল – আমান আবদুহু

ছাগলে মুখ দিলে যেমন ফসল আর বাড়ে না, তেমনি কোন আওয়ামী-শাহবাগি ইসলামোফোব মুখ দিলে তখন আর ধর্ম-সমাজ-সংস্কৃতির আলোচনা চলে না। এটা করতে যাওয়া হলো বলদামি।

মিষ্টির দোকানে আপনি বিড়ালকে প্রবেশাধিকার দেবেন, কিন্তু শুয়ারকে ঢুকতে দেবেন না। যদি আপনার মিষ্টির দোকানে বিশুদ্ধ ও সুন্দর নিয়ত সহকারে সকলের সহাবস্থানের মহান উদ্দেশ্য নিয়ে শুয়োরদেরকে দলে দলে স্বাগতম করেন তাহলে ঐটা আর মিষ্টির দোকান থাকবে না, বরং ঐটা হয়ে যাবে মলমূত্রে পরিপূর্ণ অপরিস্কার পাবলিক টয়লেট।

ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজেই ইচ্ছা করে অনেক জায়গায় খোদা শব্দটা ব্যবহার করি। কারণ লিটারাল ইসলামের চেয়ে লোকায়ত ইসলামের প্রাধান্য দিতে এবং তার পক্ষ নিয়ে তর্কে নামতে আমার কোন আপত্তি নাই। কিন্তু সে তর্ক হতে পারে লিটারালিস্ট ভাইদের সাথে। কোন শাহবাগির সাথে না।

একটা হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্ট যেমন বলতে পারেনা যে আমি রেইসিস্ট এবং একইসাথে কালোদের অধিকার সম্পর্কে আমার কিছু আলোচনা আছে, ঠিক তেমনিভাবে একটা শাহবাগিও বলতে পারেনা যে আমি শাহবাগি, প্রকাশ্যে ও পরিস্কারভাবে তওবা করিনাই, কিন্তু ইসলাম সম্পর্কে আমার আলোচনা আছে। এটা একটা অস্তিত্বহীন বিষয়। যে বলতেছে সে মিথ্যা বলতেছে। যারা বিশ্বাস করতেছে তারা আত্মপ্রতারণা করতেছে।

একজন অমুসলিমের সাথে আপনি ইসলাম নিয়ে যতইচ্ছা কথা বলতে পারেন যদি সে ইসলামোফোব না হয়। কিন্তু ইসলামোফোবের সাথে তা সম্ভব না। সে যদি নামে মুসলমানও হয়।

ইসলামোফোব কোন শাহবাগি শুয়োর যখন ইসলাম সম্পর্কে যে কোন কথা বলবে, পরিণতিতে সে অত্যাবশ্যকীয়ভাবে ঐ মিষ্টির দোকানে থাকা আলোচক ও দর্শকদেরকে তার শাহবাগিয় নাজাসাতে গালিজা দিয়ে নোংরা মলমূত্র মাখাবে।

সুতরাং মুরগি কবির, প্রফেসর জিয়া বা তাদের ছানাপোনা কোন ইসলামোফোব যখন লোকায়ত ইসলামের আলোচনা করতে আসে, আসলে সে আস্তিনের নিচে বিষাক্ত ছুরি নিয়ে আসছে। কেবলমাত্র গান্ডু হলেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো যায়।

উৎস । তারিখ: 2020-10-21 15:02:49

8 thoughts on “ছাগলে মুখ দিলে যেমন ফসল আর বাড়ে না, তেমনি কোন আওয়ামী-শাহবাগি ইসলামোফোব মুখ দিল – আমান আবদুহু”

  1. আলোচনার উদ্দেশ্য হইলো একটা সলিউশানে আসা। শাহবাগী সেক্যু তো নিজের আইডেন্টিটি তেই ঘোষনা দিয়ে দেয়, যে সে কোন ভদ্রস্থ ডিস্কাশনে যাবেনা + ত্যানা পেচাবে।

  2. সুন্দর বিশ্লেষণ, ওরা আসলে এর চেয়ে বেশি জানেও না বা তাদের কাছ থেকে এর চেয়ে আশা করাও বোকামি।

  3. শাহবাগী শুয়োরের দল যে আলোচনা নিয়েই আসুক তাদের উদ্দেশ্য একটাই থাকে, হয় সে আপনাকে টেনে তাদের খোয়ারে নামাবে, না হয় আপনার সুন্দর বাসস্থান শুয়োরের খোঁয়াড় এ পরিনত করবে।

  4. জিনিসটা যথেষ্ট কৌতূহল উদ্দীপক, যারা রাসূলকে দুই পয়সার সম্মান করেনা তারা লোকায়ত ইসলাম নিয়া অনেক বেচাইন।

Comments are closed.