ক্রসফায়ার এবং খুনের মধ্যে একটা বিশাল পার্থক্য আছে। – আমান আবদুহু

ক্রসফায়ার এবং খুনের মধ্যে একটা বিশাল পার্থক্য আছে।

ক্রসফায়ার হলো রাষ্ট্রীয়ভাবে খুন করে তাকে আইনী বৈধতা দেয়া। এটা ইতর লোকজনের কাজ। যেমন বাঙালি ইতররা সংঘবদ্ধভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই কাজটা করে। অপরাধ তো করেছেই, তারপর সিল মেরে বলে এইটা অপরাধ না।

অন্যদিকে খুন হলো ব্যক্তিগত অপরাধ, এখানে অস্পষ্টতা নাই। রাষ্ট্রেরও কোন সংশ্রব নাই। বরং রাষ্ট্র খুনীকে ধরার চেষ্টা করে। তদুপরি যার কুওৎ আছে সে যখন তা করা দরকার মনে করে তখন জেনেবুঝেই অপরাধটা করে। দরকারটা কতটুকু বৈধ বা অবৈধ, কিংবা আদতেই বৈধ কি না, তা নিয়ে চিরকাল বিতর্ক হবে।

কুত্তালীগের কুত্তারা যদি পাকিস্তান বা আফগানিস্তানে কাউকে ধর্ষণ করতে যায় তাহলে ঐ মেয়ের ভাই, বাবা, স্বামী বা ছেলের হাতে কুত্তার মতোই মরবে। মনে করা যাক, বাড়িতে কেউ ছিলো না অথবা অন্য কোন সুযোগে তারা সেখানে মহান মুক্তিযুদ্দের আদর্শ বাস্তবায়ন করেই ফেললো। তখন ঐ মেয়ের ভাই, স্বামী, বাবা অথবা ছেলে কুত্তালীগের কুত্তাগুলোকে একটা একটা করে খুঁজে বের করে সাবাড় করবে। কুত্তারা জানে, তাদের জীবন আর নিরাপদ না। রাস্তাঘাটে কিংবা বনেবাদারে তারা বেঘোরে মারা পড়বে। খুনী ধরা না পড়া পর্যন্ত। এ কারণেই পাকিস্তানী বা আফগানী মেয়েরা অনেক নিরাপদ জীবন যাপন করে।

ধর্ষণের ঘটনা কম হওয়ার মূল কারণ বাংলাদেশের মতো ধর্ষককে ক্ষমতার পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার সাধারণ দৃশ্যপট না থাকার কথা না হয় নাই বললাম। তারপরও ফাকেফোকড়ে যে কয়টা হয় সেখানেও পরিবারের সদস্যরা দায়িত্ব নিয়ে নেয়।

অন্যদিকে দলবদ্ধভাবে বিরাট মুক্তিযোদ্ধার দাবীদার কাপুরুষ বাঙালি তার বোন বউ মা মেয়ে কেউ ধর্ষণের স্বীকার হলে তখন তারা ম্যানম্যানিয়ে ‘দেশ আমার দোষ’ আমার বলে ভেড়ার মতো কানতে থাকে। পাশাপাশি ক্রসফায়ারের মতো ততোধিক কাপুরুষতার আশ্রয় চেয়ে কুৎসিত ও বিকৃত কান্নাকাটিতেও তারা ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

এই আগা মোটা গোড়া চিকন বাঙালি পুরুষদের আওকাত না থাকাটাও সারা দেশজুড়ে কুত্তালীগের কুত্তাদের নির্বিচারে নির্বিকারে ধর্ষণযজ্ঞ চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটা সহায়ক বিষয়। বাঙালী নারীদের কপাল ডাবল খারাপ। একদিকে তারা শেখ কামালের আদর্শে উজ্জীবিত কুত্তালীগের শিকার, উপরন্তু তাদের মরদরা গান্ডু।

উৎস । তারিখ: 2020-10-05 08:30:15

4 thoughts on “ক্রসফায়ার এবং খুনের মধ্যে একটা বিশাল পার্থক্য আছে। – আমান আবদুহু”

  1. মেয়েদের মুক্তির দায়িত্ব নিয়ে ছাওলীগ, আওলীগের হাতে তুলে দিয়েছে৷ আগে এসব নারীবাদিদের লাইত্তানো দরকার৷

  2. খাঁটি কথা। কয়েক বছর আগে উম্মাহ ফোরামে বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনার আধিক্য নিয়ে কেউ একজন পোস্ট দিছিল। এক পাকিস্তানি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করছিল, কেন, তোমাদের দেশে কেউ প্রতিশোধ নেয় না?

  3. আফগান মেয়ে নিজে অস্ত্র হাতে নিয়ে মা, বাবা হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছে এমন ঘটনাও আছে। আর বাঙ্গালগুলা ছাত্রলীগের হাতে ধর্ষিত হয়ে বিচার চাইতে আবার ছাত্রলীগের কাছেই যায়।

    https://www.dawn.com/news/1570419

Comments are closed.