নিচের মেসেজটা পেলাম ইনবক্সে। – আসিফ সিবগাত ভূঞা

নিচের মেসেজটা পেলাম ইনবক্সে।
—————————————————————-

আসিফ সিবগাত ভাইয়ের উদ্দেশ্যে

আলহামদুলিল্লাহ।

কিছু দিন আগে আপনি একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে দাবি করেছেন যে, বাংলাদেশে “প্রকৃতার্থে কোন আলেম নেই”। দাবিটি এতটাই অবাস্তব, অগ্রহণযোগ্য, আপত্তিকর ও অযৌক্তিক যে, তা প্রমাণের জন্য দীর্ঘ কোন বর্ণনা ও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে না।এমনকি দুটি শব্দ ব্যবহারও অপ্রয়োজনীয়। শুধু একটি উপযুক্ত নেতিবাচক শব্দ তাঁর দাবির পুরো ভিত্তিকে মিথ্যা প্রমাণ করে। যেমন- ভুল, অগ্রহণযোগ্য, মিথ্যা ইত্যাদি।

সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হল যে, আপনি এটি সাব্যস্ত করার জন্য একের পর এক পোস্ট করছেন। ইতিমধ্যে কয়েকজন আলেমের ভুল তুলে ধরেছেন এমন ভাষায় যা ইসলামী সমালোচনা নীতির পরিপন্থী। আপনি ঐসব আলেমদের প্রতি অসম্মানজনক শব্দ ব্যবহার করেছেন। আশঙ্কা রয়েছে যে, সামনে আপনি এরকম অনেক আলেমকে অপমানিত করবেন।

আপনি নিশ্চয় জানেন গিবত একটি কবিরা গুনাহ। আর সাধারণ একজন মুসলিমকে গিবত করা ও একজন আলেমকে গিবত করা সমান নয়।কুরআনে গিবত করাকে মৃত ভাইয়ের গোস্ত খাওয়ার সাথে তুলনা করা হয়েছে।

আলেমরা নবীদের ওয়ারিস। তারা দ্বীনের প্রচারক, ধারক ও বাহক। অনেকে দ্বীনের ইলমের জন্য যৌবনের তেজদ্দিপ্ততাকে হারাম কাজে ব্যয় না করে বরং তা দ্বীনের ইলম চর্চায় ব্যয় করেন। অনেক আলেম নিজের মাতৃভূমি, স্নেহময়ী মা, ভালোবাসার বাবা, প্রিয় ভাই-বোন-স্ত্রীদের মধুর সহাবস্থান ত্যাগ দেশ ও বিদেশের মাটিতে নিষঙ্গ ও যন্ত্রণাদায়ক সময়কে সাদরে গ্রহণ করে নেন।এক দুই বছর নয়, বরং এঅবস্থায় অনেক আলেম এমনকি বিশ-ত্রিশ বছর পর্যন্ত ইলমের চর্চা করেন।তাদের বাকি জীবনও কাটে ইলমের সাথে।

আপনার এই দম্ভ উক্তি তাই নিঃসন্দেহে অনেক আলেম ও তালেবে ইলমকে কষ্ট দিয়েছে।তাঁদের হৃদয়ে আঘাত হেনেছে। আপনি তাদের প্রতি অবিচার করেছেন।তাদেরকে অপমানিত করেছেন।তাদের সম্মানহানি করেছেন।হাদীসে এটাকে “সবচেয়ে বড় সুদ” বলা হয়েছে। আলেমদেরকে অপমানিত করার ঔদ্ধত্য আপনি কোথা থেকে পেয়েছেন? কুরআনে নাকি হাদীসে? আপনার জানা উচিত যে, এর পক্ষে আপনি ইসলামী শরিয়ার কোন দলিল পাবেন না। হ্যাঁ, আপনি এটা পাশ্চাত্য দর্শনে পেতে পারেন। আপনি কি এক্ষেত্রে তাই অনুসরণ করছেন?

আপনার একজন শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে বলছি, আপনি কী করছেন তা কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলঃ

ক। আলেমদেরকে অপমানিত করছেন। তাদের গিবত করছেন।

খ।মুসলিমদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করছেন যা হত্যার চেয়েও জঘন্য

গ।আপনার জাহালাত প্রকাশ করছেন।

ঘ।কবিরা গুনাহে লিপ্ত রয়েছেন।

আল্লাহ আপনাকে ও আমাদের হেদায়েত দান করুন।

সুতরাং শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেই অনুরোধ করছি, আপনি আগুন নিয়ে খেলা করা বন্ধ করুন। তা না হলে, আল্লাহ না করুন, আপনার ভয়াবহ পরিণতি বরণ করতে হতে পারে। যেমন-

১। প্রকাশ্যে অপমানিত হওয়ার সম্ভাবনা।

২। আপনি এখনো দ্বীনের খেদমতে আছেন। হতে পারে একারণে আপনি এই নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হবেন অথবা বারাকাহ পাবেন না। এদুয়ের একটা অথবা দুটোরই প্রাপ্য আপনি হতে পারেন।

৩।আপনাকে যা কয়েকজন এখন চেনেন, এই গর্হিত কাজের কারনে আপনি খুব দ্রুত মানুষের মনোযোগ থেকে ছিটকে পড়বেন।আপনার কথা কেউ পাত্তা দিবে না।

সর্বোপরি কিছু আবেগপ্রবণ তরুণের সমর্থন উৎসাহ আপনাকে যেন গোমরাহের দিকে ঠেলে না দেয়। আশা করি আপনি ক্ষান্ত হবেন। বন্ধ করবেন এই অশুভ চর্চা। আপনি এসংক্রান্ত সব পোস্ট ডিলেট করে দিবেন। তারপর বিশেষত আলেমদের কাছে ক্ষমা চেয়ে পোস্ট করবেন। ভবিষ্যতে আমরা আপনাকে কুরআনের একজন খাদেম, দ্বায়ী হিসেবে দেখতে চাই। আপনি অমূলক কাজের কারণে ইলমের ময়দান হারিয়ে যাবেন- এটা আমরা চাই না। মহান আল্লাহ দ্বীনের আলেমদেরকে যথাযথভাবে সম্মান দেওয়ার তাওফিক আমাদেরকে দান করুন।

উৎস । তারিখ: 2020-07-02 11:30:37

43 thoughts on “নিচের মেসেজটা পেলাম ইনবক্সে। – আসিফ সিবগাত ভূঞা”

  1. হায়! ইসলামের একটা দিক সম্বন্ধে একেবারেই বেখবর। একেবারেই একতরফা একটা মানসিকতা, এই মানসিকতার দীক্ষা উনারা পেয়েছেন উনাদের শিক্ষাগুরুদের কাছ থেকেই।

  2. ভেবেছিলাম নিচে কিছু দাত ভাঙ্গা জবাব সমেত পোস্টিত হবে🥴

    কিন্তু নিরবতা আমাকে আরো বেশি ভাবিয়ে তোলছে🤨

  3. আপনি তওবা করে এন্টারকোটিক মহাদেশ দিয়া দ্বিতীয় পৃথিবীর সাম্বালা নগরে চলে যান। সেখানেও ফেসবুক আছে। আরেক জন মুহাম্মদ( স)এর অনুসারীরা আছেন। [ ৭ পৃথিবীতে ৭ জন মুহাম্মদ ( স) – অলেম মুফতি ইব্রাহিম]

  4. যারা হা হা দিচ্ছে, তারাই “দেশে প্রকৃত আলেম নেই” এরসাথে একমত ধরে নিতে পারি, তারা “সহমত ভাই” ক্যাটাগরির। তারা মূলত বিদ্রুপের হাসি হেসেছে।
    কিন্তু যারা স্যাড রিঅ্যাক্ট দিচ্ছে, তাদেরকে নিয়ে চিন্তিত। তারা কি আপনার এই পোস্ট/সাম্প্রতিক পোস্টগুলোর কারণে এবং ম্যাসেজদাতার ম্যাসেজকে গুরুত্ব না দেয়ার জন্য স্যাড নাকি আপনাকে যে ম্যাসেজ পাঠিয়েছে তার প্রতি স্যাড, বুঝলাম না। ১মটার সম্ভাবনা আমার কাছে একটু বেশি মনে হচ্ছে। ম্যাসেজদাতার প্রতি স্যাড হলে তো এখানে হা হা রিঅ্যাক্টই দিতো।
    ঠিক তেমনি লাভ রিঅ্যাক্ট, সেই ম্যাসেজদাতাকে লাভ দিয়েছে নাকি আপনাকে, বুঝলাম না। আমার বিশ্বাস, দুইরকমই আছে। তবে এখানেও মনে হচ্ছে ম্যাসেজদাতাকে লাভ দেয়ার সংখ্যা বেশি হবে। কারণ পোস্টে আপনি কোনো জবাব দেননি যে, আপনাকে লাভ দেবে। ওয়াও এর ক্ষেত্রেও একই কথা। অ্যাংরি হতে পারে আপনাকে দিয়েছে, কেন উপদেশ গ্রহণ/ইগ্নোর না করে পোস্ট করলেন সেজন্য, আবার হতে পারে ম্যাসেজদাতার প্রতিই অ্যাংরি।
    আর লাইক, সে তো এক নিরপেক্ষ রিঅ্যাক্ট। কোনো গুণীজন বলেছিলেন, “যদি কী রিঅ্যাক্ট দেয়া উচিত বুঝতে না পারো কিংবা পোস্টদাতা থেকে নিজের অনুভূতি গোপন করতে চাও, তাহলে লাইক দাও।”
    গুনীজনদের আরেকটি বাণী পড়েছিলাম, “যদি একটি পোস্ট করার পর সেটা বুঝাতে আরো পোস্ট করতে হয়, তাহলে পোস্টদাতা সফল লেখক নয়।” (আমি গুনিনি, তবে যারা গুনেছে তারা বলেছে, ৭+ হয়ে গেছে)
    পরিশেষে, আমি কেয়ার রিঅ্যাক্ট দেব কিনা ভাবছি, সেটাই এখন পর্যন্ত বাদ আছে তাই, বাস্তবে কেয়ার করি, মোটেই এমন না।

  5. আমাদের দেশের ম্ওলানাদের একটা মানসিকতা হলো তারা জান্নাতের শেয়ার দিতে চায় না। জান্নাত জাহান্নাম তাদের কাছে রক্ষিত থাকে ফলে প্রয়োজনীয় মাসালা দিয়ে যেকাউকে জান্নাত থেকে বঞ্চিত (যদিও আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে জান্নাত দিতে পারেন কিন্ত হুজুর শেয়ার দিতে নারাজ) বা জাহান্নামে দিতে পারে। উনিও একই ভা্বে আপনাকে মোটামুটি ভাবে জাহান্নামি করে ফেলেছেন।

  6. আপনার লেখা সিরিয়াসলী নেয়া বন্ধ করসি যখন দেখলাম আপনি মেইনলি পোস্ট দেন মানুষ যা লিখতেসে তার চেয়ে ডিফরেন্ট কিসু। এটা করতে যেয়ে আপনি ব্যাসিক্যালি আরটিফিসিয়াল সব পোস্ট দিয়ে যান। যেমন যে ভালভাবে কুরআন পুরোটা পড়সে সে বুঝবে কুরআনের একটা অন্যতম মেইন টপিক আযাবের মাধ্যমে পূর্বের জাতিগুলি ধ্বংস করা বা তাদেরকে ফিরায় আনার ওয়ার্নিং দেয়া। কুরআনে মাত্র ৩ টা টপিক দেখে আমার মনে হইসে এতবার আসতেসে বিষয়গুলি মানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ – তারমধ্যে এটা একটা। এখন এই করোনা মহানারীর সময় যে কোন কুরআনের ছাত্রের প্রথম যে বিষয়টা মাথায় আসবে তা হলো এটা তো আল্লাহর আযাবের সাথেই যেন মিলে যাচ্ছে। আমাদের উচিৎ মানুষকে সচেতন করা। কিন্তু যেহেতু ফেইসবুকে আপনার বিরোধী দলরা এগুলি নিয়ে লিখা শুরু করল তাই আপনার মনে হলো এখন তো সফিস্টিকেটেড সাজা লাগবে। তাই আপনি আরটিফিসিয়াল পোস্ট দেয়া শুরু করলেন যে এটা আযাব এটা শিউর না অমুক তমুক। এখন আপনার ফলোয়ারদের কথা ভাবেন যারা আপনার কথার উপর ডিপেন্ড করে। প্রথমেই তারা একটা আরটিফিসিয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং পেল কারণ আপনি লিখসেন তাই। আর আপনি লিখসেন তা তো ওই সফিস্টিকেটেড কিছু আনার জন্য। এইভাবে কি ইসলামের খেদমত হলো? আপনার তো উচিৎ কুরআন সুন্নাহ ভিত্তির আন্ডারস্ট্যান্ডিং নিয়ে আসা। হোক সেটা অন্য মাদরাসার হুজুরেরও আন্ডারস্ট্যান্ডিং। নাকি আপনি এখন বলবেন করোনা দেখে আপনার এটা আযাব মনেই হয় নাই

  7. মোলায়েম করে বলতেছে যে বেশি ঘাটায়েন না এদেরকে। এজন্য সফট ওয়ার্নিং দিয়েছে। বেশি ঘাটাঘাটি করলে সিরিয়াস একশানে চলে যাবে।

  8. আসলে উনি বলতে চাচ্ছে
    চুনুপুটি ইব্রাহিম, খুদ্রু গন্ডির জাল জাকারিয়ার বাইরেও বিরাট আলেমসমাজ আছে আপনার এন্টেনায় তারা আসছে না কেন?
    যেমন সফি হুজুর ফরমায়াছেন,মেয়েরা চার পাচ ক্লাসের বেশি পড়ালেখা করা উচিত না।মেয়ে দেখে সেক্স ভাব না আসলে সে দব্জভংগ টেটুল। ফ্যাসিস্ট হাসিনা হচ্ছে কুউমি জননি।
    যে আজাহারিকে জানপ্রান দিয়ে ভালো বাসি সেই আজাহারি প্রথম লাইভে এসে আম্মু আম্মো ডেকে ফ্যাসিবাদি হাসিনার প্রতি অনুগত্যর ভণ্ডামি….

  9. আলহামদুলিল্লাহ। মেসেজটি আমি পাঠিয়েছিলাম। আমার উদ্দেশ্য ছিল উনার ভুলগুলো শালীন ভাষা ব্যবহার করে ধরিয়ে দেওয়া। কারণ এটা আস্তে আস্তে ভয়ঙ্কর রুপ নিচ্ছে। এখানে কয়েকটি বিষয় দেখা দরকার।

    ১। আলেমদের কোন ভুল হলে তা শুধরিয়ে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তার কয়েকটি ধাপ রয়েছে। যেমন

    ক। ভুলটি দলিল উপস্থাপন করে তাঁকে সরাসরি জানানো।
    খ। যদি তিনি শুধরিয়ে না নেন, তবে বৃহত্তর স্বার্থে তা প্রকাশ্যে ভদ্রতা ও সম্মান বজায় রেখে শালীন ভাষায় সাধারণ মুসলিমদের জানিয়ে দেওয়া। তবে কোন অবস্থায় তাঁর প্রতি অশালীন শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। একটা ইসলামী শরিয়ার একটি সাধারণ মৌল নীতি।

    বলুন, আসিফ ভাই, এই পথে হাঁটছেন নাকি উল্টোটা করছেন? তাঁর কর্ম পন্থা ইসলাম থেকে নয় বরং পাশ্চাত্য বা ইসলাম বিরোধী চিন্তাধারা থেকে উৎসারিত। তাঁর উচিত ছিল গিবতের ভয়াবহতা, সঠিক পদ্ধতি মেনে সামনে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু তিনি সেটা না করে উল্টো পথে হাঁটছেন।

  10. ঠিক মুক্তিযুদ্ধের বয়ানের মতই ত্যাগ তিতিক্ষার স্মরণ করে আলাপ শুরু করার প্রচেস্টা। তাই ওইটুক গিয়ে পড়া বাদ দিলাম।🙂

  11. যারা কাজী ইব্রাহিম কে মিথ্যা বলা থেকে বিরত রাখতে পারে না তারা কি আসিফ ভাইকে লেখা থেকে বিরত রাখার আশা করে।

  12. আলেমদের সম্মান পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নিজেদেরকে ভেঙে গড়ার কোনো বিকল্প নেই।এজন্য একাজটা এগিয়ে নিতে হবে আলেমদেরকেই।সবাই এটা পারবে না।পুরনোকে আকড়ে ধরে সময়ের বিপরীতে যারা চলতে চায়,তারা তো সেখানেও দাঁড়াতে পারে না বরং আরো পিছিয়ে যায়!সংস্কারের পাশাপাশি যুগ সমস্যার সমাধানের মানসিক হিম্মত সবার থাকে না,তাই এই পথটা বরাবরই কঠিন,বন্ধুর।তারপরও সবসময়ই কেউ না কেউ দায়িত্ব স্বেচ্ছায় কাঁধে তুলে নিয়ে সব রকমের বিভীষিকা সয়ে যায়।আপনার জন্য দোয়া ও শুভকামনা থাকবে।

  13. Inbox er msg publicly post korata chorom ovodrota!!!
    Ami apnar lekhar niyomit pathok.Tai sedhe comment ta korlam…
    Arekta bepar, ohongkar seta sompod niye hok ba gyan niye dutai islame o grohon joggo…samajik vabeo dekhte valo lage na…(amr valo laga na lagay apnar kichu jay ase na eta thik kintu ei kothatao barbar bola ohomikai prokash pay)
    Apnar moto porashona jana chintashil bektir Onek proyojon…doya kore aro nomonio o nirohongkari hon…

  14. ভাইরে এত আজাইয়া পোষ্ট না দিয়ে সরাসরি এটা বলে দেন যে আপনার কাছে “আলেম” হওয়ার যোগ্যতা কি???

    একজন ব্যক্তির মধ্যে কোন গুনগুলো থাকলে তাকে আলেম বলা যাবে এই গুনগুলো বলে দিয়ে এবার আপনি সেগুলো দিয়ে আলেম আছে কি নাই সেটা জাজ করেন।

    আমরা আলেম আছে কি নাই সেটার সলুশন চাই না বরং আলেম আছে কি নাই সেটা জাজ করার মেথড জানতে চাই।

  15. আলেমে ইলমদের সমালোচনা করা যাবে না এই একটি অন্ধ বিশ্বাস ইসলামের কত ক্ষতি করেছে কেউ কি ভেবে দেখেছেন

  16. দুনিয়ায় এ যাবতকালের যত ধর্ম আছে তার মধ্যে এই ধর্মতেই মনে হয় সবচেয়ে বেশি বাড়াবাড়ি, কামড়াকামড়ি। ধার্মিক একে অপরকে কাঁদা ছুড়াছুড়ি যত পারে করে। দিন শেষে আবার বলে বেড়ায় এটা শান্তির ধর্ম। হাউ ফানি। বলি কি! এত কামড়াকামড়ি না করে কাপড় উল্টায়া একজন আরেকজনের পুদ মারি দিস। তবেই ধর্ম শান্তি পাবে।👍

  17. As a muslim, i think this is one of the main reason of our today’s suffering.

    We stopped being rational. We became so afraid of criticism that we just start to believe whatever anyone saying (most of the time by most of of the people).

    We afraid of asking questions, we afraid to search.
    Anyone with a beard , a Islamic dress , and with some arabic knowledge can guide us doing and believing anything now a days.

    We are so used to perspective beliefs that we cant even point out mistakes or wrongdoings of those persons!!

    I can’t say its about all — but when i was growing up, i noticed couple of thing about my and most of my friends and relatives family —

    1. Our family is so eager to teach us Quran in arabic they forgot to teach us the meaning!!

    I learn and memorised the process of Salah, how to read Quran, the arabic alphabet,

    But i did not have any clue what i was reading!!

    I saw this tendency to most of the cases!

    Then when i finish the “Quran-e-khatam” first time, i told my family i want to understand the meaning.

    Also, the second point about the Khutba in Friday—(main one not the bangla boyan before salah)

    Its always in Arabic. I believe its the same case. Hardly any one in the mosque can feel or understand what the Imam is saying. Also the Imam is saying the same thing every friday .

    I once tried to tell the Imam, why not you explain every day what is the meaning of that. It won’t take more than 5mins. He refused!!

    I even proposed to provide printed copy to everyone, so far I remember he did not want me to do that either!!

    My point of this long essay is —

    Its ok to Point out the problems. Systematically we became so afraid to ask anything about religion that we became systemic blind idiots .

    Thanks for your effort and clear minded vision.

  18. বাংলাদেশের আলেম রা রাষ্ট্র যন্ত্রের সাথে আপোষকারী দরবারী আলেম।
    শুধু এই গ্রাউন্ডে ই তারা পরিত্যাজ্য।
    সকল ধর্ম প্রচারক রা স্থানীয় জাহিল শাসক দের বিরুদ্ধে লড়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন।
    এরা তার উল্টোটা করছে।

  19. বাংলাদেশে “সত্যিকার” কোন অালেম নেই।
    এটা না বলে যদি বলতেন – বাংলাদেশে “অান্তর্জাতিক” মানের কোন অালেম নেই। তাহলে অার কোন সমস্যাই হতো না।

    কারন বাংলাদেশের বহু অালেম নিজেরাই নিজেদেরকে সত্যিকার অালেম ও বিরাট স্কলার বলে মনে করে।
    সেখানে অাপনার বাংলাদেশে সত্যিকার কোন অালেম নেই এই স্টেটমেন্টটা তাদের প্রতি খুব জুলুম ও অন্যায় হয়েছে।

    অাপনার এখন উচিত হবে যেসব সত্যিকার অালেম অাপনার কথায় মনোক্ষুণ্ণ হয়েছে তাদের প্রত্যেকের কাছে গিয়ে গিয়ে মাফ চাওয়া। 😁

  20. আপনি কি জানেন আপনার পোস্ট আমার।সি।ফার্স্টে দেয়া। কিন্তু আলেম নিয়ে এই উপর্যুপরি পোস্ট কিংবা তর্ক বিতর্ক আমার চোখকে ক্লান্ত করছে। নিশ্চয়ই আপনি সচেতন থাকবেন কোথায় আপনাকে থামতে হবে।

  21. আসিফ মহিউদ্দিন কয়েকদিন আগে সেম এটাই করেছিল। যেন সে বিরাট থ্রেটের সম্মুখীন। এমনই সত্য সে উচ্চারণ করে ফেলছে যে, কাঠমোল্লারা তাকে কোপানোর জন্য অস্থির৷ আপনিও সেম স্ট্যান্স নিলেন। আপনার মহান ভক্তকূল অনেকেই দেখতেসি এই ধারণায় নিজ তাড়নায় বাতাসও দিতেসে। সো ক্যারি অন। অ্যাবসোলুট জিনিয়াস।

    সবচেয়ে বোকামি হইসে তাদেরই যেসব মুরুব্বীরা আপনার মহান আর্গুমেন্টকে অ্যাড্রেস করে পোস্টাইলছিলেন বা কমেন্ট করছিলেন। আফসোস। 🤣🤣

  22. টায়ার্ড হয়ছ যাচ্ছি একদম, এত এত লেখা এত এত পড়া!! লকডাউনেও শেষ কততে পচ্ছিনাহ্! 😥

  23. এই পোস্টের সামারি করলে দাড়ায় – পৃথিবীর সমস্ত আযাব এক জায়গায় করে আল্লাহ খুব শীঘ্র আপনার উপর নাযিল করবে। এই রকমের একটা প্রচ্ছন্ন হুমকি দেখতে পাচ্ছি। পালাও…

  24. যাহা বুঝিলামঃ

    ১। উনি আপনাকে চাপাতিবাজদের ভাষায় হুমকি দিয়েছেন।

    ২। আপনাকে কুরআনের খাদেম হিসেবে চায় নাহ। তার পছন্দের গ্রুপের আলেমদের খেদমতে চায়।

    ৩। নবীরা তো কিতাব বিকৃত করে নাই।
    তো তিনি ইহুদি খ্রিস্টান আলেমদের সম্মান করেন নাহ কেন? তাদের বিরুদ্ধে তাওরাত ইঞ্জিল বিকৃতির অভিযোগ আরোপ করেন কেন?

    নবীদের উত্তরসূরী কি কিতাব বিকৃত করিতে পারে?

  25. একটি শব্দ বলে পুরা এক পেইজ লিখে ফেললো এটাই জুব্বা ভর্তি এলেমের কেরামতি। একটু ফাঁক করলে তাদের জুব্বা থেকে খাজানা বের হতেই থাকে, কোন থামাথামি নাই। জাতি এই হুজুরের নামধাম সকল টাইটেল সহ জানতে চায়.

  26. সো কল্ড মুফতি… মুফতি ইব্রাহিমকেতো আমি ‘জ্ঞাণবান ইডিয়ট’ মনে করি এবং শাহ্‌বাগী ইবলিশদেরকে ইসলামকে নিয়ে হাসাহাসি করার সুযোগ করে দেয়ার অপরাধে এবং ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপ্রিয়োজনীয় অস্ত্র তাদের হাতে তুলে দেয়ার অপরাধে…
    প্লাস সাধারণ মানুষের কাছে ইসলামের কথা বলতে গিয়ে ফাউল কথাবার্তা বলার কারণে তার বিরুদ্ধে কেয়ামতের মাঠে আমি আল্লাহ্‌র কাছে বিচার দেবো।

    তো আমি এই কথা বলার কারণে এখন কি আমার অনেক বড় গুনাহ্‌ হয়ে গেছে ?? তবুওতো আমি আল্লাহ্‌র কাছে বিচার দেবো তার বিরুদ্ধে।

Comments are closed.