আমরা যখন য়ুনিতে, ৭০-১০০ টাকা ছিলো একটা ডিসেন্ট মীলের দাম – ফাহাম আবদুস সালাম

বাংলাদেশে আমরা যখন য়ুনিতে, ৭০-১০০ টাকা ছিলো একটা ডিসেন্ট মীলের দাম। এখন মনে হয় একটা ডিসেন্ট মীল ৫০০ টাকা হবে। এইদেশে একটা ব্র্যান্ড নিউ বইয়ের গড় (মিডিয়ান) দাম হবে ৩০০ টাকার আশেপাশে কোথাও। একটা ডিসেন্ট মীলের ৬০% দামে আপনি একটা নতুন বই কিনতে পারছেন – এই ঘটনা ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডে অকল্পনীয়। অষ্ট্রেলিয়ায় একটা ডিসেন্ট মীল হবে ১২ ডলার এবং একটা নতুন বইয়ের (হার্ড ব্যাক) গড় দাম হবে ৩০ ডলার। আমার অনুমান: ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডে একটা ডিসেন্ট মীলের আড়াই গুণ হবে একটা বইয়ের দাম।

একটু কনটেক্সটে ফেলি? পশ্চিমের সাথে তুলনা করলে বাংলাদেশে একটা নতুন হার্ড ব্যাক বইয়ের দাম হতে পারতো ১২৫০ টাকা। অথচ এখানে বইয়ের মিডিয়ান প্রাইস হবে হয়তো ৩০০ টাকা। কিন্তু কেউ বই কেনে না, পড়েও না। প্রথম বিশ্বের মানুষ বই কেনে, বই পড়ে এবং নন-একাডেমিক লোকরা বই নিয়ে আলোচনা করে।

ঢাকা আর সিডনীতে জীবনধারণের খরচ কিন্তু প্রায় একই। বরঞ্চ ক্ষেত্র বিশেষে ঢাকা বেশী এক্সপেন্সিভ।

ঢাকা শহরে কোনো মানুষ দিনে মিনিমাম দেড় ঘন্টা ট্র্যাফিক জ্যামে চুপ করে বসে থাকেন না, এমন মানুষ খুবই কম। কিন্তু তারা বই পড়েন না। আমি বাংলাদেশে জীবনে কোনোদিন কোনো চুলপাকা মহিলাকে কোনো বইয়ের দোকানে দেখি নি – আল্লাহর কসম। এই গ্রূপ অফ পিপলকে আপনি ওয়েস্টে যেকোনো দোকানে পাবেন। এবং আমার অভিজ্ঞতা বলে ক্যানবেরায় য়ুনিভার্সিটি-সেটিং এর বাইরে বয়স্ক মহিলারাই সবচেয়ে ওয়েল রেড এবং কালচার্ড (কনভেনশনাল সেন্সে) .

বইয়ের দাম এতো কম, বই পড়ার এতো অফুরন্ত সময় – ঢাকা ইজ টেইলর-মেইড ফর বুক লাভার্স। কিন্তু এই অঞ্চলের মানুষ বই পড়বে না। কখনোই পড়বে না। যে বই পড়লে চাকরি হয় না, সে বইয়ের চেয়ে বাঙালির জীবনে একটা জাঙ্গিয়ার মূল্য অনেক বেশী।

আপনি বলতে পারেন এখানকার লেখকরা লালুভুলু বলে বই প্রকাশনা শিল্প গড়ে ওঠে নি। কথার মেরিট আছে। কিন্তু অন্য ভাষার বইও তো তেমন কেউ পড়ে না।

কিবরিয়ার কথাটা ১০০% সত্য যে এই ভাষায় কেউ ম্যাকবেথ লিখলেও কেউ জানতেই পারবে না একটা মাস্টারপীস লেখা হয়েছে। কারণ বাংলাদেশের মানুষ প্রবলভাবে এন্টিইন্টেলেকচুয়াল।

১৬ কোটি মানুষের দেশে (যেখানে মিনিমাম ৯-১০ কোটি মানুষ পড়তে জানে) একজন ফিকশন রাইটার নাই যে ফিকশান লিখে জীবনধারণ করতে পারে।একজনও নাই।

১৯৯৪ সালে পেশাওয়ারে আমি এমন বইয়ের দোকানে গেছি যেই একটা দোকানের একটা ফ্লোর – পুরা আজিজ সুপার মার্কেটের সব দোকান মিলালে তার চাইতে অনেক বড় হবে। আমি লাহোরের কথা বলছি না। অশিক্ষিত জাহিলদের পেশাওয়ারের কথা বলছি। পুরাপুরি মনে নেই এখন কিন্তু এতো বড় দোকানে আমি কোনো উর্দু/পশতু বই দেখি নাই।

আপনি যদি মনে করে থাকেন এই দেশে কখনোই প্রকাশনা শিল্প তৈরী হবে – য়ু আর মিস্টেকেন। কারণ এখানে ডিমান্ড নাই। মূল সমস্যা সাপ্লাইয়ের না, ডিমান্ডের। মহৎ সাহিত্য তৈরী হয় কারণ পাঠক মহৎ সাহিত্যের চেয়ে নিচে কিছু গোনায় ধরে না। বাংলাদেশের ৯৯টি শিক্ষিত মানুষের জীবনে বইয়ের কোনো স্টেডি ডিমান্ড নাই। ইন ফ্যাক্ট য়ুনিভার্সিটি পাশ করার পর প্রায় প্রতিদিন কোনো না কোনো বই হাতে তোলে – এমন বাঙালি আমি জীবনে দেখেছি সম্ভবত ৪ জন।

এখানে বই নিয়ে আলোচনা করা, প্রকাশনা নিয়ে হাপিত্যেশ করার কোনো মানে হয় না আসলে। শেষ বিচারে, বাঙালির জন্য বই লেখার মতো করুণ ট্র্যাজেডি জগতে সত্যিই বিরল।

উৎস । তারিখ: 2020-11-15 12:04:32

30 thoughts on “আমরা যখন য়ুনিতে, ৭০-১০০ টাকা ছিলো একটা ডিসেন্ট মীলের দাম – ফাহাম আবদুস সালাম”

  1. পেশোয়ার, লাহোর, করাচি, মুলতান আর ইসলামাবাদে অনেক বড় বড় বুকশপ আছে যা আমি ঢাকাতে দেখিনি ফাহাম ভাই।

  2. অফিসে যাইতে আর আসতেই তো সব এনার্জি শেষ। ঢাকা হলো রিক্সার শহর। তাই রিক্সা নিয়ে বেশি বেশি আলোচনা হতে পারে।

  3. আমেরিকার ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে, সব ধরনের অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস হাতে থাকা সত্ত্বেও, আঠারো/উনিশ বছরের স্টুডেন্ট দের হাতে সময় কাটানোর জন্য বই ই বেশিরভাগ সময় দেখেছি।

  4. প্লেন হচ্ছে যেকোন দেশের প্রবেশ দরজা। এখানে দেশের মানুষ অনেক কিছু বোঝা যায়। নানা দেশের বিমানে দেখেছি বিমান বালারা কাজ না থাকলে বই পড়ে আর বাংলাদেশ বিমানে…..।

  5. যারা খাওয়া আর জ্ঞ্যানের পার্থক্যে খাওয়াকেই অগ্রাধিকার দেয় তাদের দেশে বইয়ের দাম কম থাকবে আর তা পাইরেটেড হিসেবে বিক্রী হতে থাকবে।

  6. ধর্ম নিয়ে লাফালাফি করা আর নুনুভূতি জাগ্রত হওয়া লোক কয়েক কোটি। কিন্তু সম্পূর্ণ কোরানের বঙ্গানুবাদ পড়েছে এমন লোক শতকরা হারে খুব সামান্য। ইসলামকে বুঝার চেষ্টা কম লোকই করে। উচ্চশিক্ষিত হাজার হাজার লোক ফেসবুকের এভারগ্রীন বাংলাদেশ ফলো করে আর রেডিও মুন্নার ফটোপোস্ট শেয়ার করে।

  7. গড়পড়তা বাংলাদেশের মানুষের দিমাগে প্রডাক্টিভিটির যে ডেফিনেশন সেটাতে বই পড়া কিছুই এড করতে সমর্থ না…

  8. এই ব্যাপারটা আসলেই হতাশাজনক।
    আমাদের দেশের সিনিয়ার, যাদের কাছে আমরা জুনিয়াররা শিখবো তারা তো বই পড়েই না, ইয়াং জেনারেশন তো একবারেই না!

    যারাও পড়ে, মূলত পড়ে না দেখে আরকি দেখানোর জন্য; এদের সিংহভাগই পড়ে শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখানোর জন্য, তাও সে বই জানার জন্য না, অবশ্যই সেই বইকে কালচারাল এলিট ক্লাসের পশ এবং ক্লাসি টাইটেল এণ্ড রাইটারের হতে হবে, যেটা দিয়ে শাড়ি-পাঞ্জাবি, লুঙ্গি, প্লাজো, গ্লাস-কফি মগ, থালাবাটি, ফুল-ফল, লতাপাতা, চুড়ি, ঘড়ি দিয়ে ল্যাপটপের পাশে রেখে অ্যাস্থেটিক ছবি তোলা যায়!

  9. আপনার বেশিরভাগ কথা ঠিক আছে। কিন্তু জ্যাম এ বসে থাকার সময় টা যে বই পরে কাজে লাগানো যায় তা হাস্যকর। কারণ বলি। আপনি হয়তো দেখেছেন বহিঃবিশ্বে সাবওয়ে তে বই পড়ছে। আপনি এখন সেইটার পরিবেশের সাথে আমাদের লোকাল বাসের পরিবেশ মিলালে হবে না । বই পরার এক্টা পরিবেশ লাগে। মানুষ ১০ ডলার খরচ করে ক্যাফে তে বসে শুধু পরিবেশ এর জন্য। আর ডিমান্ড সাপ্লাই এর যে কথা বললেন মানুষ ১০ বছর আগের চেয়ে এখন কিছুটা হলেও প্রগ্রেসিভ। কিন্তু আমি ১০ বছর আগে বইমেলায় কিছু স্পেচিফিক দোকানে যে বই কিনা মানুষদের যে ভীড় দেখতাম এটা এখন সমগ্র বইমেলায় নাই। আরেকটা কথা, এখনকার সো কল্ড লিবেরাল ( পড়ুন ঃ লেখক) তারা মনে করে ধর্মীয় কোন কিছুর বিরুদ্ধে না লিখলে হয়তবা লেখক হয়া যাবে না। তাদের লেখা দেখে মনে হয় intellectual হতে হলে Apostle হতে হবে। আর না হয় তারা “Any publicity is a good publicity” তে বিশ্বাসী। যদিও সেটাও হয় নাই। In short, ভাল লেখক হলে demand থাকবেই।

  10. আমাদের দেশে মানুষ যে পরিমাণ গছিপ করে, গীবত গায়, অন্যের পিছে আংগুল দেয়, বই পড়ার টাইম কোথায়?

  11. যখন ফেবু গ্রুপে লিখছি, ফ্রি পড়তে পারছে তখনই পড়ে না। কিনে পড়বে এই শখ ক্যামনে করি 💔

  12. উপজেলা লেভেলের কিন্ডারগার্টেন থেকে হাতে খড়ি নিয়ে জেলা লেভেলের কিন্ডারগার্টেনে যেয়ে ক্লাস ২ তে পড়া আমার নাদান মন টেন্স বুঝতে না পারায় যেই পরিমাণ মানষিক শারিরীক অত্যাচারের শিকার হইসি, এরপর ও যে বই দেখলেই জ্বালিয়ে দেই না উহাই সৌভাগ্য। এই গল্প আমার মতো ম্যালা বাংলাদেশির ই। আমাদের সিস্টেমই এমন মানুষ তৈরি করে না যারা ডিমান্ড করবে। এই যাগায় আরো ১০০ বছর কাজ করলেই বাংলাদেশি সিস্টেম ঠিক হব তা বলা কঠিন। মাঝে মাঝে ভাবি আমরা এত এত এতটা থার্ডক্লাস কেনো সব সেক্টরেই 🙁

  13. জ্যামে বই পড়াটা আসলে অধিকাংশের পক্ষেই সম্ভব না।
    বাসে চিড়েচ্যাপটা হয়ে ঝুলতে ঝুলতে বই কেন, পকেট থেকে সামান্য কয়েকটা টাকা বের করার জন্যও হাত ঘুরানো যায় না, বই বা ফোন চোখের সামনে ধরে রাখার মতো ফাঁকা জায়গা পাওয়া তো সেখানে বিলাসিতা।

    আর কোনোরকমে সিট পেয়ে বসে পড়লে বেশিরভাগ সময় যায়, একটু পরপর জ্যামের জন্য ব্রেক করার সময় সামনে ঝুঁকে পড়ে আর বমি আটকিয়ে রাখার পেছনে।
    লোকাল বাসের পরিবেশে পড়াশোনা কেবল তখনই হয়, যখন কোনো এক্সাম থাকে। কিন্তু সেটা নিত্যদিনের অভ্যেসের মধ্যে আনা সম্ভব না।

  14. “যে বই পড়লে চাকরি হয় না, সে বইয়ের চেয়ে বাঙালির জীবনে একটা জাঙ্গিয়ার মূল্য অনেক বেশী।” দারুণ স্পীচ

  15. রবীন্দ্রনাথের শুরুর দিকের অনেক বই বাঙালি পাঠকেরা কেনে নাই, পড়ে নাই। যদিও পশ্চিম বঙ্গে বাংলাদেশের চাইতে মোটামুটি পরিণত একটা পাঠক শ্রেণি গড়ে উঠেছে। কিন্তু আপনি ঠিকই বলেছেন বাংলাদেশে বই পড়াকে ধরা হয় একটা লুজার বিহেভিয়ার।

  16. আমি ইউনিভার্সিটির হলে থাকতাম ( করোনার আগে) আমার ডিসেন্ট মিল ছিল ৩০-৪০ টাকা। আমি নীলক্ষেত থেকেই বই কিনি, পেইজ সংখ্যা ভেদে ১৮০-৪০০ টাকা দামে৷

    ডিসেন্ট মিল ৫০০ যাদের তারা নিশ্চয়ই আরো কেনার ক্ষমতা রাকগেন।

  17. সরকারিভাবেও বই পড়াকে,মুক্তভাবে লেখালেখিকে প্রমোট করতে হয়,বাংলা একাডেমির বইমেলা কেবল বিগত ৪৫ বছর ধরে ঢাকায় হচ্ছে,কেন বইমেলা ইউনিয়ন পর্যায়ে আর প্রতিটি সরকারি স্কুল কলেজের প্রাঙ্গণে করা সম্ভব হলো না?কেবল বইপড়া প্রবন্ধ সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করে আর দালাল লেখকদের বাংলা একাডেমিতে ঠাঁই দিয়ে কিংবা পুরস্কার পদবি সুবিধা দিয়ে মূর্খ বইবিমূখ জাতিকে আর যাই হোক সাহিত্যপ্রেমী জাতি হিসেবে গড়ে তোলা অসম্ভব।

  18. কোন বই বেশিরভাগ বাঙ্গাল তখনই পড়ে যখন চারিদিক থেকে এটার ভাল ভাল রিভিউ বের হয়। কিংবা বইটা নিয়ে বেশি আলোচনা সমালোচনা হয়।
    তাও আবার কুঞ্চুশ বাঙ্গাল আগে খুঁজে এটার কোন পিডিএফ আছে কিনা।

  19. ডিসেন্ট মিল বাদ দে ,,, ১২-১৪ বছরের উঠতি বাচ্চাদের একবেলা ‘টিফিন’ টিপস ১০০ টাকাও যদি হিসাব করা হয় তবে পেপারব্যাক বই এখনও ১০০ টাকার নিচে পাওয়া যায় কিন্তু হায় আফসোস….. ওই টাকায় ‘এমবি’ মানে ডাটা ক্রয় করে সাইবার ওয়ার্ল্ড এ ঘোরা বেশী সাশ্রয়ী…..
    জাতীয়তাবাদের ভিত্তিই যেখানে গোলামী সেখানে শিক্ষা প্রকৃতই মূল্যহীন….. সরি বন্ধু অনভ্যাসে গুছিয়ে লেখা ভুলে গেছি তাই বুঝে নিস।

  20. ছোটবেলা থেকেই বই পড়ার অভ্যাস। এটা পেয়েছি আমার মায়ের থেকে। আম্মু এখনো বই পড়েন। কতকত বই যে উনি কেনেন! বাসায় শোকেস, সেলফ, স্টোরে শুধু বই আর বই। একজন্য অনেকেই আম্মু কে টিটকারি দিতো! এখন আমাকেও দেয়! আমার প্রচুর পড়তে ভালো লাগে! এটা নাকি আজাইরা ন্যাকামি 😐

  21. বই পড়া অভ্যাস যে নাই, সেটা এই পোস্টের মন্তব্য দেখলেও যে কেউ বুঝতে পারবে। আপনি যে টোনে লিখেছেন সাধারণ জ্ঞানের অভাবে সেই টোনই অনেকে বোঝে নি, তারা পড়ে আছে এক বেলার খাবারের দামে।

    এইটা ১০০℅ সত্য আমাদের বই পড়া সংস্কৃতি নেই। ২/১ জন বিচ্ছিন্ন ভাবে পড়ে, সারাদেশে হয়ত রেগুলার বই পড়ুয়া এবং ক্রেতা পাওয়া যাবে বড়জোর হাজার পাঁচেক, যারা জামা-কাপড়, খাওয়া-দাওয়ার মত বইয়ও নিয়মিত কেনে ও পড়ে।

    আমাদের এখানে কিন্তু ফুটবল/ক্রিকেট/সিনেমা নিয়ে অল্প হলেও কমিউনিটি আছে যারা প্রতিনিয়ত এগুলোর খোজ রাখে, কে ভাল খেলে, অভিনয় করে, ছবি বানায় এসব জানে। নোলানকে চেনে, মেসি-রোনালদো, নাদাল সহ অনেককে চেনে জানে।

    কিন্তু কে ভাল লেখে, ভাল বই কবে বের হবে, ওমুক বইটা কেন ভাল, কেন খারাপ, এসব নিয়ে কিন্তু আমি তেমন আলোচনা দেখি না। (যারা সাহিত্য করে ওরা এখানে ইনক্লুড না)।

  22. আমি গত প্রায় 16 বছর ধরে প্রতি রাতে বই পড়ি এক পাতা হলেও পড়ি, তবে বেশির ভাগ আজকাল পিডিএফ পড়ি

  23. বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয়না
    কিন্তু বই লিখে দেউলিয়া হবার ঘটনা এই দেশে অনেক আছে|

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় হুমায়ুন আহমদ সম্পর্কে একবার এক মন্তব্যে বলেছিলেন, “হুমায়ুন আমাদের সময়ে সব দিক দিয়ে সব বিষয়েই বিরল প্রতিভা আর সৌভাগ্যের অধিকারী, বই লিখে পেট চলেনা সময়েও সে ভার্সিটির শিক্ষকতা পেশা ছাড়ার মতো সাহস দেখাতে পেরেছে, বই লিখে গাড়ি বাড়ি করার কথা তো আমাদের স্বপ্নেও আসেনা!’

  24. Decent meal 500 in Bangladesh? Which people you considered I don’t know. Also you said Dhaka and Sydney life style expense same, some cases Dhaka more. Can you explain in which way Sydney is cheap than Dhaka. Sydney is one of the expensive city in the world where Dhaka considered very cheap to live and have things. One week Sydney home rent is more than a fresh graduates full month good salary.
    So you can talk about people habit on reading books and why buying less, but that’s an unnecessary compare.

  25. বিদেশে বসে বসে সমালোচনার পসার সাজানো দারুণ সহজ। কিন্তু প্রায়ই বিনা পয়সায় যে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ থেকে পড়াশোনা শেষ করে এত এত জ্ঞানী হওয়ার প্রাথমিক ধাপটা অন্তত সম্পন্ন করেছেন সেদেশের কল্যাণে ন্যূনতম কোন ভূমিকা রাখছেন কি না, নিজেকে নিজে সে প্রশ্নটা একটু কইরেন।

Comments are closed.