বামপন্থীদের আমার খুবই কিউট লাগে – বাংলাদেশী বামরা তো কিউটের বস্তা। – ফাহাম আবদুস সালাম

বামপন্থীদের আমার খুবই কিউট লাগে – বাংলাদেশী বামরা তো কিউটের বস্তা।

বামের সাথে কথা বলবেন – দেখবেন যে সমস্যা নির্দিষ্টকরণের সময় সে সবচেয়ে লিব্রেল। দাড়ায় পেশাব করার মধ্যেও সে শ্রেণী রাজনীতি খুঁজে পায়। কারেন্ট জাল দিয়ে হলেও সে পুটি মাছ ধরবে।

কিন্তু “এর পেছনে দোষ কার” – এই আলোচনায় দেখবেন সে একদম দুধের বাচ্চা হয়ে যায়। তুরন্ত সে দেখবেন – এবস্ট্রাকশানের কোলে লুটিয়ে পড়বে। এটা হচ্ছে বামদের ক্লাসিক এজেন্সি ইস্যু। তার কাছে একচুয়াল আকামটা সবসময় করে একটা ক্লাস – একটা দেশ এবং আল্টিমেটলি পুঁজিবাদ।

“বাংলাদেশে ধর্ষণ বড় সমস্যা না। আনফরচুনেটলি এই অপরাধটি পৃথিবীর সব দেশেই হয় এবং হবে। এই অপরাধ কমানো সম্ভব কিন্তু মিটানো সম্ভব না” – আই গেট দ্যাট। কিন্তু রিয়্যাল সমস্যা হোলো বাংলাদেশে ধর্ষণ ও প্রায় সব ধরনের অপরাধের ব্যাপারে একটা ইমপিউনিটি আছে। শেখ মুজিবের দলের লোকেরা করলে আপনার সাত খুন মাফ। আর এই ইমপিউনিটি কার থেকে শুরু হয়? ভোট ডাকাত শেখ হাসিনা থেকে। শেখ হাসিনা এই দেশের প্রত্যেকটা ইনস্টিটিউশানকে ধ্বংস করেছে এই ইমপিউনিটি দিয়ে।

এখন দেখবেন, বামপন্থীরা গ্রাফিটি আঁকে কিসের? দেখবেন ধর্ষণ বোঝাতে সে বাসের ছবি আঁকবে, নুনুর ছবি আঁকবে কিন্তু সে হাসিনার ছবি আঁকবে না। সে খুব ভালো করে জানে ধর্ষণ কোনো সেক্সচুয়াল ইস্যু না – এটা একটা পাওয়ার ইস্যু। অধিকাংশ আওয়ামী যে ধর্ষণ করে, যে চুরি করে, যে সন্ত্রাস করে – সেই শক্তিটা, সে সেন্স অফ ইনভিন্সিবিলিটি আসে শেখ হাসিনার থেকে। এই কথা বাংলাদেশের দশ বছরের শিশুও বোঝে।

বুঝবে না কে? য়ু গেসড ইট রাইট।

উৎস । তারিখ: 2020-09-30 05:54:01

26 thoughts on “বামপন্থীদের আমার খুবই কিউট লাগে – বাংলাদেশী বামরা তো কিউটের বস্তা। – ফাহাম আবদুস সালাম”

  1. এটা সে ভালোই বোঝে – কিন্তু বাংলাদেশের বামপন্থীদের বিন্দুমাত্র মোরালিটি নাই। সে আওয়ামী ট্রেনে ওঠার জন্য সব বুঝেও বোক হবার ভান করে যাবে।

  2. যে সরকার ভোটের মাঠে গৃহবধুকে ধর্ষন করার মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে তাদের কাছে কি আশা করবেন! আর এদেশে ক্ষমতাশালীদের কাছে ধর্ষণ-খুন তো একটা আর্ট। যখন যেভাবে খুশি করতেছে। ঘটনা হইলো,

    ” এই রাষ্ট্রে হস্তমৈথুন করা যতটা না সহজ
    তারচেয়ে বেশী সহজ কাউকে ধর্ষণ বা খুন করা”

  3. ধর্ষণ,শীশু নির্যাতন এই সব অপরাধ গুলির এক ধরণের অরাজনোইতিক flavour আছে। তবে যুদ্ধের সময়ে ধর্ষণ কে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার রীতি আছে। ২য় বিশ্বযুদ্ধ,বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আমরা সেটা দেখেছি। এদেশের ফ্যাসীবাদী জটিলতা থেকে নজর সরাতে এখন দেশীয়দের উপর এই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে সুঠাম দেহীরা ধর্ষণ করেছিলেন, কিন্তু ধরা পড়েছিল কোন অখ্যাত সিরিয়াল ধর্ষক।এখনকার সময়ে ভিপি নূরের ঘটনার পরেই বন্ধ কলেজের বন্ধ হোস্টেলে এইরকম অদ্ভুত ঘটনা আসলেই অদ্ভুত।আর যেভাবে সর্বোচ্চ মহল থেকে বাতাস দিচ্ছে তাতে একটা ফ্লপ নাটকের প্যাটার্ন পাওয়া যাচ্ছে। ফ্যাসীবাদীদের অবশ্যই এই ধর্ষন অস্ত্র ব্যবহারে এখন থেকে চুড়ান্ত সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

  4. Absolutely!!! দেশকে ধর্ষণ করতেছে সেটার প্রতিবাদ না করে নারী ধর্ষণের প্রতিবাদ কিভাবে ফল আনবে?

  5. বামপন্থীরা সংখ্যায় নগন্য। ওদেরকে হিসেবে না ধরলে তেমন কিছু আসে যায় না।
    কিন্তু ঘটনা হচ্ছে,আপনারা যারা ছুপা বিএনপি,কিছুটা জামাত, কিছুটা খান-নিয়াজীদের ঘরানার, তারা এই যে সবকিছুতেই ২/৪ দিন পরপর একই ভেঁপু বাজান, এটা কি আরো বেশি কিউট লাগে না আওয়ামী ঘরানার লোকেদের কাছে?
    জানেন, আপনাদের এসব ওরা হিসেবেও ধরে না কারণ দৌড় বুঝে গেছে আপনাদের! ওরাও বুঝে গেছে আপনারা শুধু শেখ মুজিব আর শেখ হাসিনাকে দুয়ো দেয়া ছাড়া আর কিছুই পারেন না।
    জানি পরিবর্তন চান, আপনি যেমন চান, আমিও চাই। তিতা করলা যেমন ভাল লাগে না তেমনি রসগোল্লাও বেশিদিন ভাল লাগে না কারুরই।
    কিন্তু পরিবর্তন আসবে কিভাবে? খালি শেখ মুজিব, শেখ হাসিনাকে দুয়ো দিয়ে?
    বলবেন, রাস্তায় তো নামতেই চাই কিন্তু নামলে যে প্যাঁদায়? আপনারা স্বভাবতই ভুলে যাবেন এটা যে বাংলা মোটর মোড়ে মিছিলের সময় রাস্তার উপর ফেলে নাসিম/মতিয়া/দীপুমণি সহ আরো অনেককে গোল করে পিটিয়েছিল তৎকালীন ত্রাস ডিসি কোহিনুর। এরপরও রাজপথ ছেড়েছিল কি ওরা?
    ভাই, পরিবর্তন আনতে হলে দম লাগে। দুঃখজনকভাবে এই দম আপনাদের নেই। আপনারা ফেসবুকে দু’কলম গালি আর ঢালাওভাবে দোষারোপ করে স্বপ্নদোষে ভুগবেন যে একদিন ধরা খেয়ে যাবে, পরিবর্তন হবে।
    হাহা! ভয়াবহ স্বপ্নদোষ!
    এবার আসেন প্রতিষ্ঠানগুলো নষ্ট করার কথায়।
    আরে ভাই, সিইসি আজিজ সাহেবকে আপনারা ভুলে গেলেও আমরা এককালের বামপন্থীরা ভুলিনি।

  6. এদেশে বাম বলতে কি কিছু আছে?? এদের অধিকাংশই তো কলকাতা থেকে আমদানীকৃত ব্রাম্মণ্যবাদ প্রচারে ব্যাস্ত।

  7. বর্তমান বামেরা কিছুটা ডান, কিছুটা চরম হলেও পচ্চুর উদারপন্থী হতে পেরেছে আম্মোর দয়ায়

  8. জামাত বিম্পি হাটহাজারী ডানপন্থীরা হাসিনার ছবি আইকা উল্ডায়লায় 😂🤣 উনারা ছবি আকারেই পাপ মনে করে

  9. ডানপন্থী ভাইয়ারা তো কিছুই আকে না এইটাই সমস্যা। তারা আকতে পারলে তো আর বামপন্থী ভাইয়াদের মুখে দিকে তাকায় থাকতে হতো না।

  10. এই হইলো বামপন্থীদের সাথে আলাপের পরিনতি। তাদের ধন দুইটা আর বিচি চারটা।

  11. বাংলাদেশের বামরা লীগারের জারজ সন্তান। মাঝে মধ্যে রাগ দেখালেও কার খুন নিজের শরীর প্রবাহিত হচ্ছে সেটা ভেবে ঠান্ডা হয়ে যায়

  12. বামরা সবকিছুতে পুজিবাদ দেখে,
    আর আপনি সব বিষয়ে হাসিনাকে দেখেন।
    সেইম লাইন অফ থিংকিং

  13. আপনাদের মতো কিছু মানুষ নিজেদের স্বার্থে এইসব মিথ্যা প্রচার করেন। কিন্তু কেন?? এই সব কথার কোন প্রমাণ নেই। সম্পূর্ণ যুক্তিহীন এবং ভিত্তিহীন। এইসব লিখে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করা যাবে না।

  14. বিএনপির দালালদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে নোংরা কথাবার্তা না বললে মনে হয় তাদের ভালো লাগে না আসলে বিএনপির মত নোংরা দল যে দেশে কখনোই ভালো কিছু করার যোগ্যতা রাখে না সেটা তাদের এইসব কর্মকান্ড দেখলেই বুঝা যায় ।

  15. এরা বড়ই অদ্ভুত পিস।চুল দাড়ি রেখে আর মাথায় টুপি পড়ে বিপ্লব করতে চায় মনে হয় বিপ্লব মামা বাড়ির আবদার

Comments are closed.